রোহিঙ্গাদের কারণে কক্সবাজারের পরিবেশ মারাত্মক হুমকিতে

0

রোহিঙ্গাদের কারণে কক্সবাজার অঞ্চলের পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। বৃহস্পতিবার (২ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাজ্যের শীর্ষস্থানীয় থিংক ট্যাংক চ্যাথাম হাউসে ‘ফোরজিং এ সিভিএফ-কপ২৬ ক্লাইমেট সলিডারিটি’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।

শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) লন্ডনে বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, চ্যাথাম হাউসের সংলাপে ড. মোমেন রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে যুক্তরাজ্যের সহায়তা চান।

অনুষ্ঠানে ড. মোমেন বাংলাদেশের নিজস্ব উদ্যোগে গঠিত ৪৫ কোটি ডলারের জলবায়ু তহবিলসহ অন্যান্য বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশ একটি ন্যূনতম নির্গমনকারী দেশ হয়েও শেখ হাসিনা সরকার কম কার্বন উন্নয়নের পথ অনুসরণ করছে।

সংলাপে যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম স্বাগত বক্তব্য রাখেন। সংলাপে চ্যাথাম হাউসের চেয়ারম্যান বার্নিস লি, মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহামেদ নাশিদসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন যুক্তরাষ্ট্রের ৯ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে কপ-২৬ প্রেসিডেন্ট অলোক শর্মার সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে মোমেন জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য নভেম্বরে যুক্তরাজ্যের গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিতব্য কপ-২৬ শীর্ষ সম্মেলনে যৌথভাবে পৃথক একটি অনুষ্ঠান করার প্রস্তাব দিয়েছেন।

শুক্রবার লন্ডনের বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্যে কপ-২৬ প্রেসিডেন্ট অলোক শর্মার সঙ্গে এক বৈঠকে এ প্রস্তাব দেন ড. মোমেন।

দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ বর্তমানে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জোট ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের (সিভিএফ) সভাপতির দায়িত্ব পালন করছে। এ জন্য সিভিএফ কপ-২৬ যৌথ অনুষ্ঠানে আগ্রহী বাংলাদেশ।

ড. মোমেন যুক্তরাজ্য এবং বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক জলবায়ু সম্পর্ক বিশেষ করে; সবুজ প্রযুক্তি স্থানান্তর, সবুজ বিনিয়োগকে উৎসাহিত করা এবং জলবায়ু প্রশমন প্রকল্পে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে কপ-২৬ প্রেসিডেন্ট সবুজ অর্থায়ন ও বিনিয়োগকে উৎসাহিত করার জন্য সহযোগিতা এবং একটি পরিষ্কার ও সবুজ ভবিষ্যৎ তৈরিতে প্রযুক্তি স্থানান্তরসহ বিভিন্ন অঞ্চলে আবহাওয়া উদ্যোগের জন্য যুক্তরাজ্যের অব্যাহত সহায়তার আশ্বাস দেন।

জয়নিউজ/এসআই
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...