শুভ জন্মদিন, আ জ ম নাছির উদ্দীন

বিশেষ প্রতিবেদন

0

শুভ জন্মদিন, নগরপিতা! চিরতরুণ আর সদা হাস্যময় মুখ তাঁর। নগরবাসীর সুখ-দুঃখে নগর ভবন আলো করে থাকেন তিনি।  জীবনকে যাপন করছেন সদা কর্মব্যস্তময় একজন মানুষ হিসেবে।  বিত্ত আর বৈভবের চূড়ায় বসেও সামান্য ‘লইট্ট্যা মাছ’ই যার প্রিয়, তিনিই আমাদের চট্টগ্রামের মেয়র। কে বলবে তাঁর ৬২ বছর পূর্ণ হলো আজ? হ্যাঁ, তিনিই আমাদের আ জ ম নাছির উদ্দীন।

 

জীবনবাদী মানুষ, চিন্তাজাগানিয়া প্রেরণাশক্তি আর নগরের উন্নয়ন যার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ, তিনি পেশাগত দায়িত্ব পালনে আজকের এই শুভক্ষণে চীন দেশে। এই মাহেন্দ্রক্ষণে সীমান্ত পেরিয়ে তাঁর কাছে পৌঁছে যাক আমাদের অশেষ শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।

চাটগাঁর জল, চাটগাঁর মাটি আর চাটগাঁর লোকবল; এই নিয়ে বন্দর নগরের আলো-বাতাসে বেড়ে ওঠা সহজ-সরল এক মানুষ তিনি। যিনি সারাজীবন হৃদয়ের গহিনে লালন করেছেন প্রগতিশীল রাজনৈতিক দর্শন। সম্প্রতি নগরপিতার পরিচয়ের ডানায় যুক্ত হয়েছে নতুন পালক। তিনি রাজনীতি ও ক্রীড়াঙ্গনের সফলতার পর এবার যুক্ত হলেন গণমাধ্যম ব্যবস্থাপনায়।  চট্টগ্রাম থেকে পরিচালিত দেশের অন্যতম নবীন অনলাইন নিউজ ওয়েবপোর্টাল জয়নিউজবিডি’র চেয়ারম্যানও তিনি।

আ জ ম নাছির উদ্দীন নামে পরিচিত হলেও তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক নাম আবু জাফর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন। রাজনীতিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের চট্টগ্রাম মহানগরের সাধারণ সম্পাদক। ২০১৫ সালে তিনি দায়িত্ব নেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে। সক্রিয় রাজনীতি ছাড়াও তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সহসভাপতি এবং চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিয়োজিত।  এছাড়া তিনি চট্টগ্রামের বুকে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক মানের প্রথম সুইমিংপুলের স্বপ্নদ্রষ্টা।

আ জ ম নাছির উদ্দীনের জন্ম চট্টগ্রামে। তাঁর বাবা সৈয়দ মঈনুদ্দিন হোসাইন ছিলেন একজন শিক্ষানুরাগী এবং মা ফাতেমা জোহরা বেগম আদর্শ গৃহিনী। তিনি ১৯৭৩ সালে সরকারি মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং পরবর্তীতে চট্টগ্রাম কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং ডিগ্রি পাস করেন।

আ জ ম নাছির উদ্দীন বিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মকাণ্ডে জড়িত হন। স্কুলের শিক্ষার্থী হিসেবে যোগ দেন ঊনসত্তরের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মিছিলে।  আশির দশকের শুরুতে আ জ ম নাছির রাজনীতিতে সক্রিয় হন।  ১৯৭৭ সালে তিনি চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি এবং একই সঙ্গে নগর ছাত্রলীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে ১৯৮০ এবং ১৯৮২ সালে চট্টগ্রাম নগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ১৯৮৩ এবং ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি হিসেবে নিযুক্ত হন।  নাছির উদ্দীন পর পর দু’বার নগর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন।

দেশের বুকে নবীন গণমাধ্যম জয়নিউজ বিডি’র রূপরেখা নিয়ে গত দুই বছর ধরে দফায় দফায় বৈঠক, আলোচনা, স্বপ্ন দেখার পর তিনি তা বাস্তবে রূপ দিয়েছেন। কখনোই বিরক্ত হননি, দিয়েছেন উৎসাহ। কখনোই নিরাশ করেননি, করেছেন সক্রিয়। কখনোই হতাশ করেননি, দিয়েছেন প্রেরণা।  তাঁর ঐকান্তিক সহযোগিতা ও চমৎকার পৃষ্ঠপোষকতায় এখন শতাধিক সাংবাদিক কাজ করছেন আমাদের প্রিয় প্রতিষ্ঠানে। তাঁর নির্দেশনায় কাজ করতে পেরে আমরা গর্বিত।  জয়নিউজের পথচলায় মেয়রের আরো একজন প্রিয় মানুষের সান্নিধ্য আমাকে মুগ্ধ করে।  তিনি আমাদের প্রিয় প্রতিষ্ঠানের সম্পাদক প্রিয় অহীদ সিরাজ চৌধুরী (স্বপন)।  আজ জয়নিউজ এবং জয়নিউজের অভিভাবক প্রিয় নাছির ভাই, উভয়ের জন্যই জানাই শুভেচ্ছা। আপনাদের দীর্ঘায়ু কামনা ও অশেষ শুভকামনা।

প্রিয় নেতা, প্রিয় চেয়ারম্যান, প্রিয় মানুষ; আ জ ম নাছির উদ্দীন, শুভ জন্মদিন!

বিপ্লব পার্থ
সিইও, জয়নিউজবিডি

আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...