আগের চেয়ে ভালো আছেন ফ্লোরা

সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে (এনইউএইচ) লাইফ সাপোর্টে থাকা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (উন্নয়ন ও পরিকল্পনা) অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে তিনি এখনো পুরোপুরি শঙ্কামুক্ত নন বলে জানা গেছে।

- Advertisement -

বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

- Advertisement -
google news follower

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরার পিত্তনালীতে স্টেনোসিস চিকিৎসার জন্য ইআরসিপি করার পর বিভিন্ন ধরনের জটিলতা তৈরি হয়েছিল। এর ফলে তাকে ইলেকটিভ ভেন্টিলেশনে রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি কিডনি জটিলতা দূর করতে ডায়ালাইসিস করা হচ্ছে। তবে আশার কথা, উনি গত দুদিন আগের চেয়ে কিছুটা ভালো আছেন।

সপ্তাহখানেক আগে সিঙ্গাপুরে নেওয়ার আগে মীরজাদী সেব্রিনা ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। পরে তাকে সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত ২০ আগস্ট রাতে তার অস্ত্রোপচার হয়। এরপর পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় তাকে নিবিড় পরিচযা কেন্দ্রে (আইসিইউতে) রাখা হয়।

- Advertisement -
islamibank

সেব্রিনা ফ্লোরার লাইফ সাপোর্টে থাকার খবর গত ২১ আগস্ট দেশের গণমাধ্যমে আসে। এমনকি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার মৃত্যুর গুজবও ছড়িয়ে পড়ে।

এ গুজব প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও অন্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে সেব্রিনা ফ্লোরার পরিবারের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রয়েছে। তার অসুস্থতার বিষয়ে গুজব বা বানোয়াট খবর না ছড়ানোর জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

এর আগে বুধবার রাতে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গুরুতর প্যানক্রিয়াটাইটিসের ফলে তার কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে ডায়ালাইসিস চলছে ও কিডনির কার্যকারিতা স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ডায়ালাইসিস চলবে।

তিনি ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রয়েছেন, কারণ তার শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। তবে তার ফুসফুস আগের তুলনায় অনেকটা ভালো আছে। তবে এখনো তাকে ভেন্টিলেটর থেকে ছাড়ার কোনো তাৎক্ষণিক পরিকল্পনা নেই।

পরিবার আরও জানায়, তিনি এখন স্থিতিশীল, কিন্তু এখনও পুরোপুরি শঙ্কামুক্ত নন, কারণ প্যানক্রিয়াটাইটিস থেকে সেরে উঠতে সময় লাগে।

২০২০ সালে দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর সেব্রিনা ফ্লোরা নিয়মিত প্রেস ব্রিফিং করতেন। সে সময় তিনি সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন।

জেএন/কেকে

KSRM
পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জয়নিউজবিডি.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

এই বিভাগের আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ