বাঁশখালীতে দুই পুলিশসহ গুলিবিদ্ধ ৫

চাঁদার দাবিতে কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রে দফায় দফায় সন্ত্রাসী হামলা

0

বাঁশখালীর গন্ডামারায় নির্মাণাধীন ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রে চাঁদার দাবিতে সন্ত্রাসীরা দফায় দফায় হামলা চালিয়েছে। সশস্ত্র হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন পুলিশের দুই কনস্টেবলসহ ৫ জন। পুলিশের গাড়িসহ প্রকল্পের ৪টি গাড়ি ভাংচুর করেছে সন্ত্রাসীরা।

সোমবার (২২ অক্টোবর) রাত ৮টা থেকে গভীর রাত ২টা পর্যন্ত দফায় দফায় এ হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। এ সময় পুলিশ ১০ রাউন্ড এবং সন্ত্রাসীরা অন্তত ২০ রাউন্ড গুলি ছুঁড়ে। সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হন কনষ্টেবল মো. আশিক (২০) ও  ইসমাইল(২৮), স্পেকটার ড্রাইভার মো. আইয়ুব(২৮), মো. খালেক (২০) এবং শাহাদাত (২৮)।

এদিকে চাঁদাবাজি ও পুলিশ আহতের ঘটনায় ৭০/৮০ জনকে আসামি করে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাপা উত্তেজনা অবস্থা বিরাজ করছে।

মঙ্গলবার (২৩ অক্টোবর) বিকাল ৪টায়ও এলাকায় অভিযান চালায় ডিবি পুলিশসহ ৬০-৭০ জনের পুলিশ।

কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রের দায়িত্বরত নৌবাহিনীর কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম জয়নিউজকে বলেন, নির্মাণাধীন কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রের তিন কিলোমিটার রাস্তার কাজ চলছে। ওই রাস্তায় চাঁদার দাবিতে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. আনছারের ছেলে মো. শাহাদাত ও ডাকাত আমান উল্লাহর ছেলে মো. খালেক কাজে বাঁধা দেয়। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে তারা সোমবার রাত ৮টায় ঘটনাস্থলে এসে দুইজনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার হওয়াদের সদর থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে বৃষ্টির মতো গুলি ছুঁড়ে ইউপি সদস্য মো. আনছার ও ডাকাত আমান উল্লাহর লোকজন। ওই ঘটনায় পিতার গুলিতে পুত্র খালেক, শাহাদাতসহ দুই পুলিশ আহত হয়। এর পর থেকে সন্ত্রাসীরা থেমে থেমে রাত ২টা পর্যন্ত কয়েক দফা হামলা করে।

বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কামাল হোসেন জয়নিউজকে বলেন, ঘটনার সময় সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধ করতে পুলিশ ১০ রাউন্ড গুলি ছুঁড়ে। কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প এলাকায় বর্তমানে শান্ত পরিবেশ বিরাজ করছে। সন্ত্রাসীরা চাঁদার দাবিতে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। তাদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন আছে।

আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...