‘জাপানের এসএমই সেক্টর বাংলাদেশে মডেল হতে পারে’

0

চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেছেন, এসএমই সেক্টরের উন্নয়নের মাধ্যমে জাপান শক্তিশালী অর্থনীতি গড়ে তুলেছে। যা বাংলাদেশের জন্য অনুকরণীয় মডেল হতে পারে।

বুধবার (৭ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে জাপানের ১৭ সদস্যের বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের উপস্থিতিতে ‘দ্যা রোল অব এসএমই ইন দ্যা ন্যাশনাল ইকোনমি-দ্যা কেস অব জাপান এন্ড হাউ বাংলাদেশ শুড গো এহে ‘ শীর্ষক সেমিনারে তিনি একথা বলেন।

চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিসিসিআই), জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (জেবিসিসিআই), চট্টগ্রাম এওটিএস এলামনাই সোসাইটি (সিএএএস) ও বাংলাদেশ এওটিএস এলামনাই সোসাইটি (বিএএএস)’র যৌথ উদ্যোগে এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে সেমিনারে জাপানের অনারারী কনস্যুল জেনারেল মোঃ নুরুল ইসলাম, বাংলাদেশে জাইকা চীফ রিপ্রেজেন্টেটিভ হিতোশী হিরাতা, চেম্বার সহসভাপতি সৈয়দ জামাল আহমেদ, আইকোসা স্টিয়ারিং কমিটির সভাপতি সালাহ্উদ্দীন কাসেম খান, মেম্বার সেক্রেটারী ড. এ. কে. এম. মোয়াজ্জেম হোসেন ও সিএএএস’র প্রেসিডেন্ট সাইফুদ্দিন আহমেদ সেমিনারে বক্তব্য রাখেন।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আইকোসা’র প্রেসিডেন্ট ও প্রতিনিধিদলের নেতা প্রফেসর ড. নাওহিরো কুরোসী। এছাড়া সাবেক সচিব ও এনবিআর চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ আব্দুল মজিদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মোঃ সালেহ জহুর বাংলাদেশের এসএমই খাতের উপর তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন। সেমিনারে মূল বিষয়ের উপর আলোচনা করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোঃ সেলিম উদ্দিন এফসিএ।

চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, জাপান সরকার জাইকার মাধ্যমে চট্টগ্রামসহ দেশের অবকাঠামো, যোগাযোগ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়নে অবদান রেখে চলেছে। জাপান এসএমই সেক্টরের উন্নয়নের মাধ্যমে শক্তিশালী অর্থনীতি গড়ে তুলেছে, যা বাংলাদেশের জন্য অনুকরণীয় মডেল হতে পারে। এসএমই উদ্যোক্তাদের মধ্যে নারী উদ্যোক্তার সংখ্যা বেশি উল্লেখ করে তিনি যোগ করেন, নারী উদ্যোক্তাদের বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ সরকার এসএমই উদ্যোক্তাদের সহায়তার জন্য এসএমই ফাউন্ডেশন, বিসিক ও বেসিক ব্যাংকের মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছে। চেম্বার এসএমই’র উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।

জাইকার চীফ রিপ্রেজেন্টেটিভ হিতোশী হিরাতা বলেন, বাংলাদেশ বিগত এক দশকে আশাতীত প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। জাপানি বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশ এখন আকর্ষণীয় গন্তব্য।

জাপানের অনারারী কনস্যুল জেনারেল মোঃ নুরুল ইসলাম বলেন, জাপান ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্কের নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে অনেক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা রয়েছে যাদের সহযোগিতায় জাপান এগিয়ে আসতে পারে।

সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন চেম্বার পরিচালক এ. কে. এম. আকতার হোসেন, কামাল মোস্তফা চৌধুরী, মোঃ অহীদ সিরাজ চৌধুরী (স্বপন), মোঃ জহুরুল আলম, মোঃ রকিবুর রহমান (টুটুল) ও অঞ্জন শেখর দাশ, প্রাক্তন পরিচালক ওম্যান চেম্বার নেতৃবৃন্দ, বিনিয়োগ ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ সরকারি উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, রিহ্যাব, এসএমই হেল্পলাইন বাংলাদেশ, ফ্রোজেন ফ্রুটস এসোসিয়েশন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, এ.কে.খান এন্ড কোং, ফিনলে, লুব-রেফ, জেএফ বাংলাদেশসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, এসএমই খাতের উদ্যোক্তা ও ‘স্বাধীনতা নারী শক্তি সংগঠন’-এর নেতৃবৃন্দ।

জয়নিউজ/ফয়সাল/জুলফিকার

আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...