জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, কিসের সংখ্যালঘু আর কিসের সংখ্যাগুরু। এ দেশে যেই জন্ম নিয়েছে, সেই এ দেশের গর্বিত নাগরিক।
আমরা নাগরিকদের ভাগ-বাটোয়ারা কোনো ধর্ম বা দলের ভিত্তিতে করার পক্ষে নই। পতিত স্বৈরাচার জাতিকে ভেঙে টুকরো টুকরো করে মুখোমুখি করে রেখেছিল।
যে দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারে না, তারা মাথা সোজা করে বিশ্ব দরবারে সম্মানের সঙ্গে দাঁড়াতে পারে না।
স্বাধীনতার ৫৪ বছর গেল, আর কতদিন আমাদের টুকরো টুকরো করা হবে। আমাদের স্পষ্ট ঘোষণা, আমরা কোনো মেজরিটি বা মাইনরিটি মানি না।
বুধবার পঞ্চগড় চিনিকল মাঠে দলের জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
পঞ্চগড় জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ইকবাল হুসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন পঞ্চগড় জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা সমন্বয়ক ফজলে রাব্বি, খেলাফত মজলিস পঞ্চগড়ের সভাপতি মীর মোর্শেদ তুহিন, বাংলাদেশ ডেভলপমেন্ট পার্টির সভাপতি মাসুদুর রহমান, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি জাপার সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান, জামায়াতে ইসলামের কেন্দ্রীয়, আঞ্চলিক ও স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাসহ স্থানীয় রতন চন্দ্র রায় নামে সনাতন ধর্মের একজন।
জামায়াত আমির বলেন, আমরা বাংলাদেশকে একটি মানবিক দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমরা দেশে আর গডফাদার, গডমাদার, মাফিয়াতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদ দেখতে চাই না।
ভারত আমাদের নিকটতম প্রতিবেশী জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, আমরা প্রতিবেশীকে অহেতুক কষ্ট দিতে চাই না। তবে প্রতিবেশীও যেন আমাদের ওপর এমন কিছু চাপিয়ে না দেয়, যা বাংলাদেশের মানুষের জন্য সম্মানজনক নয়।
পরে তিনি পঞ্চগড় সার্কিট হাউজে স্থানীয় জামায়াতের নারী সদস্য এবং বিশিষ্টজনের সঙ্গে পৃথক মতবিনিময় শেষে নীলফামারীর ডোমারের উদ্দেশে রওনা দেন।
জেএন/পিআর