কাস্টমস এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের অর্থায়নে নির্মিত সিএন্ডএফ টাওয়ারের ১৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা বুধবার (২২ জুলাই) আগ্রাবাদস্থ ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সিএন্ডএফ টাওয়ার পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম কাস্টমস এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম সহ-সভাপতি মো. নুরুল আবছারের সভাপতিত্বে এবং সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. শফিউল আজম খানের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এসএম সাইফুল আলম এবং সাধারণ সম্পাদক ও টাওয়ার পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব মো. শওকত আলী।
এছাড়া সদস্যদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী মাহমুদ ইমাম (বিলু), মো. আবু তাহের, মো. আহসান, খন্দকার লতিফুর রহমান (আজিম) ও কাজী আবদুল মাবুদসহ অন্যান্য সদস্য।
সভায় সভাপতি এসএম সাইফুল আলম বলেন, সদস্যদের কষ্টার্জিত অর্থে নির্মিত সিএন্ডএফ টাওয়ারের যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব।
তিনি ভবনটির জমি ক্রয় থেকে নির্মাণ পর্যন্ত যাঁরা শ্রম, ত্যাগ ও পরামর্শ দিয়ে অবদান রেখেছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
সাধারণ সম্পাদক মো. শওকত আলী জানান, অ্যাসোসিয়েশনের দ্বিতীয় প্রকল্প হিসেবে নতুন একটি বহুতল ভবন নির্মাণের লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে তিনটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
পাশাপাশি নতুন লাইসেন্সিং বিধিমালায় সিএন্ডএফ এজেন্টদের স্বার্থবিরোধী বৈষম্যমূলক বিধান বাতিল ও অধিক্ষেত্র সংযোজনের দাবিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) লিখিত প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সম্প্রতি অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে ২৫ লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে।
সদস্যদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং ব্যবসার বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করতে বর্তমান পরিষদ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে কাজ করে যাচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সভাপতির বক্তব্যে মো. নুরুল আবছার ২০২৫ সালের আহ্বায়কের প্রতিবেদন উপস্থাপন করে বলেন, সদস্যদের অর্থায়নে নির্মিত ভবনটির রক্ষণাবেক্ষণ ও সুষ্ঠু পরিচালনায় পরিচালনা কমিটি নিরলসভাবে কাজ করছে। বর্তমানে একটি স্পেস ছাড়া ভবনের সব স্পেস ভাড়া দেওয়া হয়েছে।
সভায় ২০২৫ সালের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ২০২৬ সালের প্রস্তাবিত বাজেট এবং ২০২৫ সালের জন্য প্রদত্ত আর্থিক সুবিধা সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন করা হয়।
একই সঙ্গে সিএন্ডএফ টাওয়ার পরিচালনা কমিটির সদস্য হিসেবে মো. আবদুল হাই মাসুম, সাইফুল ইসলাম এবং সৈয়দ আবু জাফর হেলাল নির্বাচিত হন।
এছাড়া পরিচালনা কমিটির মেয়াদ তিন বছর পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাবও সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়।




