স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েলের আর্থিক অনিয়ম: ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

অনলাইন ডেস্ক

নথিপত্র সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাইয়ের সুযোগ, এক মাসের মধ্যে সচিবের কাছে প্রতিবেদন; প্রয়োজনে নতুন সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে কমিটি

স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

- Advertisement -

তদন্তের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দায়-দায়িত্ব নিরূপণের পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম বা সমস্যা এড়াতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ দেওয়ার দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে কমিটিকে।

- Advertisement -
google news follower

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের ১৫ জুলাই ২০২৬ তারিখের এক অফিস আদেশে এ তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানানো হয়। স্মারক নম্বর ২৮.00.0000.000.088.99.0002.26.67।

তিন সদস্যের এই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো (বিএমডি)-এর মহাপরিচালক (যুগ্মসচিব) কাজী জিয়াউল বাসেতকে।

- Advertisement -
islamibank

কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন পদ্মা অয়েল পিএলসির উপ-মহাব্যবস্থাপক (হিসাব) আবু মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন এবং বিপিসির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন। মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনকে একই সঙ্গে কমিটির সদস্য-সচিব করা হয়েছে।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, উল্লিখিত সময়কালে স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের আর্থিক অনিয়মের বিষয়ে তদন্ত ও অনুসন্ধান করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা সংস্থার দায়-দায়িত্ব নিরূপণ করতে হবে।

তদন্তের প্রয়োজনে কমিটি সংশ্লিষ্ট নথিপত্র সংগ্রহ এবং সেগুলো যাচাই-বাছাই করতে পারবে। অর্থাৎ শুধু অভিযোগ পর্যালোচনা নয়, আর্থিক অনিয়মের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নথি ও তথ্য যাচাই করে ঘটনার প্রকৃত চিত্র বের করার সুযোগও রাখা হয়েছে কমিটির কার্যপরিধিতে।

একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের সমস্যা পুনরায় না ঘটে, সে জন্য প্রয়োজনীয় সুপারিশ দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

তদন্ত কমিটিকে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যেই কাজ শেষ করতে বলা হয়েছে।

অফিস আদেশ অনুযায়ী, তদন্ত শেষে আগামী ০১ (এক) মাসের মধ্যে সচিব, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বরাবর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে।

ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত কমিটির অনুসন্ধানে স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের আর্থিক অনিয়মের প্রকৃতি, সংশ্লিষ্টদের দায়-দায়িত্ব এবং ভবিষ্যতে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার বিষয়ে সুপারিশ উঠে আসার কথা রয়েছে।

তদন্তের পরিধি বিবেচনায় প্রয়োজনে কমিটির সদস্যসংখ্যা বাড়ানোর সুযোগও রাখা হয়েছে। অফিস আদেশে বলা হয়েছে, কমিটি প্রয়োজনে যে কোনো কর্মকর্তাকে সদস্য হিসেবে কো-অপ্ট করতে পারবে।

অর্থাৎ তদন্তের স্বার্থে কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে অতিরিক্ত দক্ষতা বা সংশ্লিষ্টতার প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে কমিটির সঙ্গে যুক্ত করার সুযোগ থাকবে।

তদন্ত কমিটির গঠনেও রয়েছে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়। কমিটিতে রয়েছেন খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো (বিএমডি), পদ্মা অয়েল পিএলসি এবং বিপিসির তিন কর্মকর্তা।

এতে একদিকে যেমন প্রশাসনিক ও তদারকি পর্যায়ের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর সুযোগ থাকছে, অন্যদিকে হিসাব ও আর্থিক বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার অভিজ্ঞতা তদন্তে ভূমিকা রাখবে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের জারি করা অফিস আদেশে তদন্ত কমিটিকে দ্রুত কার্যক্রম সম্পন্ন করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

KSRM
পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জয়নিউজবিডি.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

এই বিভাগের আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ