মসলায় বেড়েছে ঝাঁজ

0

পবিত্র ঈদুল আজহার বাকি আর দুই মাস। কোরবানির ঈদে ঘরে ঘরে থাকে মসলার বাড়তি কদর। তাই ঈদকে সামনে রেখে চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজারে সকল প্রকার মসলার দাম বেড়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিটি মসলার দাম কেজি প্রতি ৫ টাকা থেকে শুরু করে ১১শ’ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। মসলাম দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

ঈদের দুই মাস আগে থেকে কেন মসলার দাম বাড়াতে হবে? এমনটাই অভিযোগ ক্রেতাদের। তাদের দাবি, কোরবানির ঈদ আসছে তাই ব্যবসায়ীরা আগে থেকে সিন্ডিকেট করে মসলার দাম বাড়িয়েছে।

এদিকে আমদানিকারকরা দাবি করছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে মসলার দাম বাড়ায় খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজারে বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে মসলা।

বুধবার (১২ জুন) খাতুনগঞ্জের বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি এলাচি ২ হাজার ২৫০ টাকা, দারুচিনি ৩০০ থেকে ৩০৫ টাকা, জিরা ৩০০ থেকে ৩০৫ টাকা, তেজপাতা ১০০ থেকে ১৪০ টাকা, সাদা গোলমরিচ ৭০০ টাকা, কালো গোলমরিচ ৫০০ টাকা, জয়ফল ৪৫০ থেকে ৯০০ টাকা, কিসমিস ৩০০ থেকে ৩৭০ টাকা, আলুবোখারা ৩৩০ টাকা, পোস্তদানা ৯৮০ থেকে ১১৫০ টাকা, কাঠবাদাম ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা, কাজুবাদাম ৯০০ থেকে ১ হাজার টাকা ও চীনাবাদাম ১২০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

খাতুনগঞ্জ এবি টেড্রাসের পরিচালক ও মসলা আমদানিকারক অমর কান্তি দাশ জয়নিউজকে বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে মসলার দাম বাড়ায় আমদানি শুল্ক বেড়েছে। বাজারে মসলার সংকট রয়েছে। খরচ বাড়লে পণ্যের দামের ওপর তার প্রভাব পড়ে। পণ্য সংকট থাকলে বাজারে পণ্যের দাম বাড়ে। এর ফলে পাইকারি থেকে খুচরা সবখানেই দাম বেড়ে যায়।

রিয়াজ উদ্দীন বাজারের খুচরা দোকানের ক্রেতা মাহমুদুর রহমান বলেন, প্রতি বছরই ঈদের সময় মসলার দাম বেড়ে যায়। আর এতে করে বিপাকে পড়তে হয় মধ্যবিত্তদের। কিছু কিছু মসলার দাম এতো বাড়ে যে, কেনাই দায়।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, কোনো উৎসব এলেই ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে মসলার দাম বাড়িয়ে দেন। এতে করে আমরা সাধারণ ক্রেতারা তাদের অপকৌশলের বলি হই।

খাতুনগঞ্জের বাজারের ব্যবসায়ী মহিউদ্দীন বলেন, বেশির ভাগ মসলার দাম এবার স্থিতিশীল রয়েছে। তবে এলাচি ও দারুচিনির দাম কিছুটা বেড়েছে।

ঈদের জন্য এগুলোর দাম বাড়েনি বলেও দাবি করেন তিনি। আমদানি কম হওয়াকেই দাম বাড়ার কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন এই ব্যবসায়ী।

জয়নিউজ/এসআই
আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...