উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ব্রিটিশ সহায়তা চান চেম্বার সভাপতি

0

চট্টগ্রাম-ঢাকা রেলপথে উন্নতমানের ট্রেন চালুর মাধ্যমে ৩ ঘণ্টার মধ্যে যাতায়াত নিশ্চিত করা, কনটেইনার সেবার মান ও গতি বাড়ানো এবং বে-টার্মিনাল নির্মাণে ব্রিটিশ সহায়তা চেয়েছেন চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম।

মঙ্গলবার (২৪ জুলাই) সফররত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ বিষয়ক বাণিজ্য দূত রুশনারা আলীর সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ সহায়তা চান।

এ সময় চেম্বারের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আলী আহমেদ, চেম্বার পরিচালক ওমর হাজ্জাজ, উইম্যান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সহ-সভাপতি ডা. মুনাল মাহবুব, ব্রিটিশ উপ-হাইকমিশনার কেনবার হুসেইন বর, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিভাগের পরিচালক বেনজামিন কাটমোরে ও উপ-পরিচালক খালিদ গাফফার, বিনিয়োগ ও বাণিজ্য ব্যবস্থাপক আবির বড়ুয়া এবং প্রেস অফিসার নারায়ণ নাথ উপস্থিত ছিলেন।

মাহবুবুল আলম মিরসরাই ইকনোমিক জোনে ওয়ান স্টপ সার্ভিস কাজে লাগিয়ে জাপান, ভারতসহ অনেক দেশ শিল্প স্থাপন করছে উল্লেখ করে বলেন, একইভাবে ব্রিটিশ বিনিয়োগও চাই আমরা।

তিনি বিশেষ করে শ্রম মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় চীনসহ অন্যান্য দেশে অবস্থিত ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশে স্থানান্তরের সুবিধাগুলো তুলে ধরেন।

রুশনারা আলী বাংলাদেশের উন্নয়নে তার সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন। বিশেষ করে দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে সহযোগিতার কথা জানান।

ওয়েলস, স্কটল্যান্ড এবং ইংল্যান্ডের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে বাংলাদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ প্রোগ্রাম আরও জোরদার করা যায় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

ইঞ্জিনিয়ার আলী আহমদ বলেন, অতীতে অনেক বিখ্যাত মাল্টিন্যাশনাল ব্রিটিশ কোম্পানির অফিস ও কারখানা চট্টগ্রামে অবস্থিত ছিল। কালক্রমে যদিও তা হ্রাস পেয়েছে।

তিনি বর্তমান সরকার প্রদত্ত বিনিয়োগ সুবিধা কাজে লাগিয়ে আবারও সে অতীত ফিরিয়ে আনা সম্ভব বলে মন্তব্য করেন।

পাশাপাশি চট্টগ্রাম-ঢাকা অর্থনৈতিক করিডোরের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।

ওমর হাজ্জাজ বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর সম্প্রসারণ এবং সোনাদিয়া গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ সম্পন্ন হলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চেহারা আমূল বদলে যাবে।তিনি চীন-মার্কিন বাণিজ্য যুদ্ধের সুযোগ কাজে লাগাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য রপ্তানির পরামর্শ দেন।

মুনাল মাহবুব বলেন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাত ব্রিটিশ সরকারের অন্যতম আয়ের উৎস। বাংলাদেশ থেকে হাজার হাজার শিক্ষার্থী উচ্চ শিক্ষার্থে ব্রিটেন গমন করে।

তিনি পারস্পরিক যৌথ কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষা খাতে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর আহ্বান জানান।

বিপি

আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...