ইডিইউর শিক্ষার্থীরা যেন তরুণ উদ্যোক্তা

জয়নিউজবিডি ডেস্ক: আয়োজন দেখে মনে হতে পারে আপনি এই শহরের বাণিজ্য মেলায় ঢুকে পড়েছেন। সারি সারি স্টল। টেবিলে সাজানো রয়েছে নানা পণ্যের পসরা। মাটির জিনিস, হাতে বানানো ঘরোয়া সামগ্রী, ডিজাইন করা কাপড়, শোপিস, খাবার দাবার আরও কতো কী…!

- Advertisement -

একপাশে কেনাবেচা। অন্যপাশে দাম নিয়ে হইচই। চট্টগ্রামের ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটিতে (ইডিইউ) বুধবার সকালে অনুষ্ঠিত জমজমাট বিজনেস ফেয়ারের চিত্র ছিল এমনই।

- Advertisement -
google news follower

নগরীর খুলশীর পূর্ব নাসিরাবাদের নোমান সোসাইটির ইডিইউর স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্কুল অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এই মেলার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি উপাচার্য অধ্যাপক মুহাম্মদ সিকান্দার খান।

তিনি বলেন, মেলায় যেসব শিক্ষার্থী নিজেরা কিছু উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছেন, তারাই একদিন আমাদের বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে নতুনভাবে পরিচিত করবে। পাল্টে দেবে অর্থনীতি।

- Advertisement -
islamibank

তিনি আরও বলেন, জীবনে প্রতিষ্ঠা পেতে হলে চাই লক্ষ্য স্থির করা, সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও চ্যালেঞ্জ নেওয়ার মানসিকতা। ইডিইউর শিক্ষার্থীরা সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটিয়ে নতুনত্ব সৃষ্টি করবে-এমন প্রত্যাশা সবার।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইডিইউর ট্রেজারার প্রফেসর সামস উদ দোহা, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার সজল বড়–য়া, অ্যাসোসিয়েট ডিন ড. মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন, ড. মোহাম্মদ রকিবুল কবীর, মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম চৌধুরী, প্রক্টর অনন্যা নন্দী, স্কুল অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের কর্ডিনেটর ফাহমিদা আকতার প্রমুখ।

এর আগে সকালে ফিতা কেটে মেলার উদ্বোধন করেন চিটাগং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সাবেক পরিচালক লুৎফা সানজিদা। এই সময় তিনি বলেন, পাঠ্য বইয়ের বাইরে এই ধরনের কর্মমুখী আয়োজন শিক্ষার্থীদের আগামি দিনগুলিতে তরুণ উদ্যোক্তা হওয়ার উৎসাহ জোগাবে।

মেলায় মোট ৩০টি দল নিজেদের তৈরি নানা পরিকল্পনা, উদ্ভাবন ও ব্যবসায়িক পণ্য নিয়ে হাজির হন। এতে প্রথম রিনিউ, দ্বিতীয় কারলি কিউজ ক্রিয়েশনস ও তৃতীয় হয় গ্রুপ দ্য ইকুয়িলিব্রিয়াম পয়েন্ট।

শিক্ষার্থীরা জানান, বিজনেস ফেয়ারে অংশ গ্রহণ করা নিয়ে গত এক মাস ধরে তাদের ভিতর ছিল নানা জল্পনা-কল্পনা। দলবেধে রাত জেগে কাজ করা, নতুন নতুন পণ্য উপস্থাপন করা, আড্ডাবাজি কিংবা খোঁজ খবর নেওয়া- সবকিছুই ছিল মেলাকে ঘিরে।

তাহসিন নামের একজন ছাত্রী বলেন, পড়ালেখা শেষ করে আমার ইচ্ছে নিজে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবো। সেখানে অনেক লোকের কর্মসংস্থান হবে। মেলায় অংশ নিয়ে নিজেকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা পাচ্ছি।

দেশীয় হস্তশিল্পের বাজার আবার চাঙা করতে চায় শিলা, সাজ্জাদ, ইরিনাসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী। তাদের ইচ্ছে, বাংলাদেশের তৈরি সামগ্রী বিদেশে অতীতের তুলনায় অনেক বেশি ছাড়িয়ে যাবে।

KSRM
পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জয়নিউজবিডি.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

এই বিভাগের আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ