মেয়ের দুটি কিডনিই বিকল হয়েছে। তবে নিজের একটি কিডনি দিয়ে মেয়ে হ্যাপি রাণি মজুমদারকে বাঁচানোর শেষ চেষ্টা করছেন মা মুক্তা রাণি মজুমদার। আর সব শুনে এই মা-মেয়ের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন নগরপিতা আ জ ম নাছির উদ্দীন।
সোমবার (১৫ জুলাই) দুপুরে এই পরিবারের পাশে ছুটে যান মেয়র। এসময় মেয়রের সঙ্গে ছিলেন কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, মনোয়ারা বেগম মনিসহ স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
মেয়র মুক্তা রাণির বাসায় গিয়ে দেখে এসেছেন মা-মেয়েকে। পরে তাদের সব কথা শুনে মুক্তার মায়ের হাতে তুলে দেন ১ লাখ ১০ হাজার টাকা। আগামীতেও এ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথা দেন মেয়র।