চিনির দাম বস্তায় ৩০৮ টাকা, কেজিতে ৭ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে

0

সপ্তাহের ব্যবধানে নগরে আবার বেড়েছে চিনির দাম। পাইকারি বাজারে প্রতি বস্তা চিনির দাম বেড়েছে ৩০৮ টাকা। আর খুচরা বাজারে প্রতি কেজি চিনির দাম বেড়েছে ৭ থেকে ১০ টাকা।

শনিবার ( ১৫ ফেব্রুয়ারি) পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।

গত সপ্তাহে খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজারে প্রতি বস্তা চিনি বিক্রি হয়েছিল ১ হাজার ৯০২ টাকায়। গত বৃহস্পতিবারের চেয়ে এ সপ্তাহে প্রতি বস্তা চিনিতে ৩০৮ টাকা বেড়েছে। অর্থাৎ প্রতি বস্তা চিনি এখন ২ হাজার ২৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে কেজি প্রতি চিনির পাইকারি মূল্য ৫৭ টাকা ১৩ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। খুচরা বাজারে যা ৬৪ থেকে ৬৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

খাতুনগঞ্জের পাইকারি কয়েকজন ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, আমদানিকারকরা বেশি দরে বিক্রি করছেন। সেক্ষেত্রে বেশি দাম দিয়ে এনে আমাদেরও বেশি দামেই বিক্রি করতে হচ্ছে। প্রতি বস্তা চিনি আগে বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ৯০২ টাকায়। কিন্তু এখন বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ২৪০ টাকায়। অর্থাৎ বস্তা প্রতি ৩৩৮ থেকে ৩৪০ টাকা বেড়েছে।

তারা আরো বলেন, রমজান মাস সামনে রেখে বেড়েছে খোলা চিনির দাম। অন্যদিকে বাজারে চিনির সরবরাহ কমে গেছে। মিল গেটে চিনির দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। যে কারণে পাইকারি পর্যায়ে বেড়েছে। যার প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে।

এদিকে খুচরা বিক্রেতারা জানান, পাইকাররা কেজিতে দাম বাড়িয়েছে। এ কারণে খুচরায়ও দাম বেড়েছে।এক কেজি চিনি ৬৪ থেকে ৬৭ টাকায় বিক্রি করছেন। যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৫৫ থেকে ৫৭ টাকা।

যোগাযোগ করা হলে কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সাধারণ সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার সাবেরি জয়নিউজকে বলেন, এটা ব্যবসায়ীদের একটা চাল। প্রতিবছর রমজান এলেই পণ্যের দাম বাড়ে। কিন্তু এ বছর দুই মাস আগে থেকে দাম বেড়ে গেছে। এখন যদি চিনির দাম ৬৪ বা ৬৮ টাকা হয় রমজান আসতে আসতে এর দাম তো ৯০ থেকে ১০০ টাকার কাছাকাছি চলে যাবে।

তিনি আরো বলেন, ব্যবসায়ীরা প্রতিবার একই কথা বলে। আমদানিকারকরা কেন দাম বাড়াবে? এগুলো হচ্ছে পাইকারি ব্যবসায়ীদের দাম বাড়ানোর একটা সিনক্রিয়েট মাত্র। এক্ষেত্রে জেলা প্রশাসক, র্যাব, পুলিশকে আবার অভিযান চালাতে হবে। গতবার যেমন অভিযান হয়েছে তেমনটা।

জয়নিউজ/বিআর

সরাসরি আপনার ডিভাইসে নিউজ আপডেট পান, এখনই সাবস্ক্রাইব করুন।

আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...