কক্সবাজারের রামু উপজেলায় নির্বাচনি প্রচারণায় হামলার অভিযোগে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছে বিএনপি। দুই মামলায় খুনিয়াপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল মাবুদ, দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. ইউনুচ ভূট্টো ও অজ্ঞাত ৩০ জনসহ মোট ৮০ জন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে।
খুনিয়াপালং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এস এম ফরিদুল আলম ও রামু উপজেলা ছাত্রলের সাধারণ সম্পাদক আনছারুল হক বাদী হয়ে মঙ্গলবার (১৮ ডিসেম্বর) দুপুরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দুটি দায়ের করেন।
আদালত মামলা দুটি আমলে নিয়ে রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ১২ ডিসেম্বর (বুধবার) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নের ধেচুয়াপালংয়ের রাবেতা হাসপাতালের সামনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী লুৎফর রহমান কাজলের নির্বাচনি প্রচারণায় খুনিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মাবুদের নেতৃত্বে হামলা চালানোর অভিযোগ করেন বিএনপি নেতাকর্মীরা।
এ ঘটনায় খুনিয়াপালং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এস এম ফরিদুল আলম বাদী হয়ে খুনিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মাবুদ ও সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল গনি সওদাগরসহ ৪৩ জনকে এজাহারভুক্ত ও ১৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
অন্যদিকে এর আগে ১০ ডিসেম্বর (সোমবার) দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের পানেরছড়া নুরুল আলম সওদাগরের মুদির দোকানের সামনে ধানের শীষের প্রচারণা চালানোয় রামু উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আনছারুল হকের ওপর হামলার অভিযোগে তিনি বাদী হয়ে ইউনুচ ভুট্টোসহ মোট সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলায় অভিযুক্ত চেয়ারম্যান আব্দুল মাবুদ ও ইউনুচ ভুট্টো অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, নৌকার জনপ্রিয়তাকে ভয় পেয়ে একটি কল্পকাহিনী সাজিয়েছে বিএনপি। রামুতে এ ধরনের কোনো ঘটনাই ঘটেনি। এটি তাদের সাজানো নাটক।