চট্টগ্রাম নগরীর আদালত ভবন এলাকায় অবস্থিত জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
নকল-নবিশ নিয়োগে অনিয়ম, বিভিন্ন কাজে ঘুষ দাবি ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে বুধবার (১৬ এপ্রিল) দুদক চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়-১ এর তিন সদস্যের একটি দল অভিযানটি পরিচালনা করে।
অভিযান শেষে অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছেন’ বলে জানিয়েছেন দুদক কর্মকর্তারা।
এ বিষয়ে দুদক জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১ এর সহকারী পরিচালক সাইয়েদ আলম সাংবাদিকদের বলেন, অভিযান পরিচালনাকালে জেলা রেজিস্ট্রার অফিসের বাহিরে অবস্থান করায় তার স্থলাভিষিক্ত সদর সাব-রেজিস্ট্রার মো. শহিদুর রহমানের কাছে অভিযোগ বিষয়ে রেকর্ডপত্র চাওয়া হয়।
রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, সন্দ্বীপ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সাবেক অফিস সহকারী মাহফুজুর রহমানের বিরুদ্ধে নিবন্ধন অধিদপ্তরের যথাযথ অনুমোদন ব্যতিরেকে বরখাস্ত আদেশ প্রত্যাখ্যান, ১৯ জন নকলনবীশকে কর্তৃপক্ষের লিখিত নির্দেশনা ব্যতিরেকে নিয়োগের ক্ষেত্রে সাবেক জেলা রেজিস্ট্রার মিশন চাকমা কর্তৃক অনিয়মের অভিযোগটির প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়।
নকল-নবিশ নিয়োগে অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এখানে অনেক আগে থেকেই নকল-নবিশ নিয়োগ বন্ধ ছিল। তারপরও আইজিআরের পারমিশন ছাড়া এখানে নকল-নবিশের নিয়োগ দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে আইজিআর একটি শোকজ করা হয় এবং সাময়িকভাবে নিয়োগটি বাতিলও করা হয়। এক্ষেত্রে কোন আর্থিক অনিয়ম হয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হবে।
দুদকের সহকারী পরিচালক সায়েদ আলম আরও বলেন, এখানকার কিছু কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল। তাদের ব্যক্তিগত নথি তলব করেছি। তাদের নামে কোন অবৈধ সম্পদ আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হবে। আমরা বিস্তারিত প্রতিবেদন কমিশনে জমা দেব। কিছু রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করেছি। আবার কিছু রেকর্ডপত্র চেয়েছি।
উল্লেখ্য, দলিল রেজিস্ট্রেশন, তল্লাশি ও নকল উত্তোলনসহ বিভিন্ন সেবায় সেবা গ্রহীতাদের হয়রানি ও ঘুষ দাবিসহ বিভিন্ন অভিযোগে দেশের ৩৫টি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
জেএন/পিআর




