দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা প্রার্থীদের ভাগ্য নির্ধারণ আজ

অনলাইন ডেস্ক

জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা প্রার্থীদের অধিকার আজ রবিবার পরিষ্কার হবে।

- Advertisement -

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে জানা গেছে, অপেক্ষাধীন আবেদনগুলোর প্রায় সবই দ্বৈত নাগরিকত্ব সংক্রান্ত।

- Advertisement -
google news follower

এ ধরনের প্রার্থীরা এখন পর্যন্ত ভোটার তালিকায় অংশ নেওয়া বা মনোনয়নপত্র গ্রহণে বাধাপ্রাপ্ত।

রবিবার কমিশন দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে।

- Advertisement -
islamibank

জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীদের আপিল শুনানির শেষ দিনও আজ।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত শুনানির অষ্টম দিনে ১১২টি আপিল নিষ্পত্তি করা হয়েছে, যার মধ্যে ৪৫টি আবেদন মঞ্জুর করা হয়েছে।

মঞ্জুর হওয়া আবেদনের মধ্যে মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে ৪৩টি এবং মনোনয়নপত্র গ্রহণের বিরুদ্ধে ২টি আবেদন অন্তর্ভুক্ত।

অপরদিকে, কমিশন ৩৭টি আপিল নামঞ্জুর করেছে। এর মধ্যে মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে নামঞ্জুর হয়েছে ১৩টি এবং মনোনয়নপত্র গ্রহণের বিরুদ্ধে ২৪টি।

এসব আপিলের নিষ্পত্তি সংশোধিত তফসিল অনুযায়ী ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে সম্পন্ন হবে।

দ্বৈত নাগরিকত্ব সংক্রান্ত আবেদনগুলোর গুরুত্ব প্রধানত এই কারণে, যে আইন অনুযায়ী দ্বৈত নাগরিকত্বধারী ব্যক্তি জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।

কমিশনের সিদ্ধান্ত প্রার্থীদের ভবিষ্যৎ নির্বাচনী অধিকার নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ সিদ্ধান্তের ফলে যারা দ্বৈত নাগরিকত্বের কারণে আপিল করেছেন, তাদের প্রার্থিতা চূড়ান্ত হবে।

প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি নির্ধারিত রয়েছে। এই সময়সীমার মধ্যে যারা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে চান, তাদের অবশ্যই আবেদন করতে হবে।

কমিশনের সিদ্ধান্ত প্রকাশের পর প্রার্থীদের জন্য স্পষ্ট হবে তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন কি না।

বৈধ প্রার্থিতার ক্ষেত্রে আপিল প্রক্রিয়া যথাযথভাবে সম্পন্ন হওয়ায় নির্বাচনী সুষ্ঠুতা নিশ্চিত হবে। একই সঙ্গে এটি ভোটার ও প্রার্থীদের জন্য স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ফলে নির্বাচনের প্রস্তুতি আরও কার্যকরভাবে এগিয়ে যাবে।

কমিশন আশা করছে, আপিল প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো দ্বন্দ্ব বা বিতর্ক সৃষ্টি হবে না।

নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আইন ও বিধিমালা অনুসরণের মাধ্যমে সকল প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত হবে। এই ধরনের ব্যবস্থা জাতীয় নির্বাচনের মান ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে।

আজকের সিদ্ধান্তে প্রার্থীদের ভবিষ্যৎ অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে এবং নির্বাচনী প্রচারণার সময়সূচি অনুযায়ী তারা কার্যক্রম শুরু করতে পারবেন।

এদিকে, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময়সীমা ২০ জানুয়ারি হওয়ায় কমিশন আশা করছে যে, প্রার্থীরা সময়মত তাদের অবস্থান নিশ্চিত করবেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তাদের যাচাই-বাছাই ও আপিল শুনানির মাধ্যমে প্রার্থীদের যোগ্যতা ও অধিকার নির্ধারণ করা হয়েছে।

দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা প্রার্থীদের ক্ষেত্রে আজকের সিদ্ধান্ত নির্বাচনের প্রস্তুতি, প্রার্থীদের অবস্থান এবং ভোটারদের স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

KSRM
পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জয়নিউজবিডি.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

এই বিভাগের আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ