৫ম-৮ম শ্রেণিতে বৃত্তি পেল ৬৮ হাজার ৭৬৮ শিক্ষার্থী

অনলাইন ডেস্ক

দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের আওতায় জুনিয়র অষ্টম, দাখিল অষ্টম, এবতেদায়ী পঞ্চম এবং জেএস ও জেড (ভোকেশনাল) শাখায় মোট ৬৮ হাজার ৭৬৮ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে।

- Advertisement -

এর মধ্যে রয়েছে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড।

- Advertisement -
google news follower

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করা হয়।

অনুষ্ঠানে ফল ঘোষণা করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. এ এন এম এহছানুল হক মিলন।

- Advertisement -
islamibank

তিনি জানান, ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের আওতায় জুনিয়র অষ্টম শ্রেণিতে মোট ৪৬ হাজার ২০০ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। এদের মধ্যে ১৪ হাজার ৭০০ জন ট্যালেন্টপুল বা মেধাবৃত্তি এবং ৩১ হাজার ৫০০ জন সাধারণ বৃত্তি অর্জন করেছে।

এ ছাড়া ট্যালেন্টপুল শিক্ষার্থীরা এককালীন ৬০০ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা এককালীন ৪৫০ টাকা অনুদান পাবে। ভোকেশনাল (জেএস ও জেড) শাখার ক্ষেত্রেও একই হারে ভাতা ও অনুদান প্রদান করা হবে।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল অষ্টম শ্রেণিতে ১১ হাজার ১৮০ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে।

এর মধ্যে ৩ হাজার ৩৫৪ জন ট্যালেন্টপুলে এবং ৭ হাজার ৮২৬ জন সাধারণ বৃত্তি পেয়েছে। একই বোর্ডের এবতেদায়ী পঞ্চম শ্রেণিতেও ১১ হাজার ১৮০ জন শিক্ষার্থী বৃত্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছে।

অন্যদিকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের জেএস ও জেড (ভোকেশনাল) শাখায় মোট ২০৮ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। এদের মধ্যে ৮৯ জন মেধাবৃত্তি এবং ১১৯ জন সাধারণ বৃত্তি অর্জন করেছে।

মন্ত্রী বলেন, এবার ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের আওতায় সর্বমোট ৩ লাখ ৪৬ হাজার ৫৯১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ফরম পূরণ করে।

তারমধ্যে ৩ লাখ ১৫ হাজার ১৬০ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এদের মধ্যে ১৪ হাজার ৭০০ জনকে মেধা বৃত্তি এবং ৩১ হাজার ৫০০ জনকে সাধারণ বৃত্তি দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আওতায় ইবতেদায়ি ৫ম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় ৬৯ হাজার ৬০৪ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে ৬৩ হাজার ৯৩০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।

একই বোর্ডের দাখিল ৮ম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় ৪৮ হাজার ২৯৩ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে ৪৩ হাজার ৭০৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।

আর বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতায় জেএস ও জেডিতে ৩ হাজার ১০৪ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে ২ হাজার ৬১১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরাই দেশের গর্ব এবং ভবিষ্যতের সম্ভাবনা। এই বৃত্তি শুধু পুরস্কার নয়, বরং মেধা, পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের স্বীকৃতি।

আমি আশা করি, এই শিক্ষার্থীরা আগামী দিনে দেশের উন্নয়ন, জ্ঞান চর্চা এবং মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, যারা এবার বৃত্তি পায়নি তাদেরও আমি নিরুৎসাহিত না হওয়ার আহবান জানাই। জীবনে সাফল্যের অনেক সুযোগ আছে, চেষ্টা চালিয়ে গেলে নিশ্চয়ই সফল হবে।

আমি শিক্ষক ও অভিভাবকদেরও ধন্যবাদ জানাই, কারণ তাদের উৎসাহ ও পরিশ্রম ছাড়া শিক্ষার্থীদের এ সাফল্য সম্ভব হত
না।

এছাড়া সরকার শিক্ষার উন্নয়ন ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তায় বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করতে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

KSRM
পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জয়নিউজবিডি.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

এই বিভাগের আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ