চট্টগ্রামে জমে উঠেছে ঈদ বাজার

ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নগরের বিভিন্ন বিপণিবিতানে জমে উঠেছে কেনাকাটা। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত চলছে বিকিকিনি। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে মার্কেটগুলোতে ক্রেতার উপস্থিতি তত বাড়ছে। দোকানিরা বলছেন, ১০ রোজার পর থেকে এবার জমে উঠেছে ঈদ-কেন্দ্রিক কেনাকাটা।

- Advertisement -

শনিবার (১৫ এপ্রিল) রাতে নগরের বিভিন্ন আভিজাত বিপণি বিতান ঘুরে এমন দৃশ্য চোখে পড়ে।

- Advertisement -
google news follower

এদিকে অনেকে রোজা রেখে তপ্ত রোদে কেনাকাটা করতে কষ্ট বলে রাতকে বেছে নিয়েছেন। তাই রাতে নগরের শপিং মলেগুলোতে যেন তিল ধারণের ঠাঁই থাকে না। দল বেঁধে কেনাকাটা শেষে একযোগে সেহেরি, তারপর ঘরে ফেরা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, দিনে তেমন ক্রেতাদের ভিড় থাকে না। বিক্রিও তেমন হয় না। ইফতারের পর থেকে দল বেঁধে কেনাকাটা করতে আসেন৷ তখন বিক্রি ভালো হয়। সেহেরির পর্যন্ত ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় থাকে।

- Advertisement -
islamibank

সরেজমিন দেখা যায়, ইফতারের পর থেকে সেহেরির আগ পর্যন্ত নগরের টেরিবাজার, নিউমার্কেট, মিমি সুপার মার্কেট, টেরিবাজার, আগ্রাবাদ সিঙ্গাপুর মার্কেট, চট্টগ্রাম শপিং কমপ্লেক্স, বহদ্দারহাট স্বজন সুপার মার্কেট, চকবাজার মতি টাওয়ার, গুলজার টাওয়ার, বালি আর্কেড, সানমার ওশ্যান সিটি, ফিনলে স্কয়ারসহ একাধিক মার্কেট বিভিন্ন কাপড়ের শো-রুমে দল বেঁধে কেনাকাটা করছেন তরুণ-তরুণীরা।

চট্টগ্রামে জমে উঠেছে ঈদ বাজার

সেখানে কেউ এসেছেন পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বেশিরভাগই বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দল বেঁধে কেনাকাটা করতে এসেছেন।

নগরের মুরাদপুর এলাকা থেকে দল বেঁধে সানমার ওশান সিটিতে কেনাকাটা করতে আসা ইরাজ আদনান বলেন, দিনে প্রচন্ড গরম। রোজা রেখে একদম বের হতে ইচ্ছে করে না। তাই সবাইকে নিয়ে রাতে বের হয়েছি। কেনাকাটা শেষ করে সেহেরি শেষ করেই ঘরে ফিরবো।

রাত ২টার পর থেকে নগরের নিউমার্কেট এলাকার হোটেলগুলোতে মানুষের ব্যাপক ভিড় থাকে। অনেক হোটেলে বসার জায়গা না পেয়ে বাইরে অপেক্ষা করতে থাকেন।

শপিং সেন্টারে ঈদের পোশাক কিনতে আসা মাহিমা আবতাহি বলেন, এবার ঈদের পোশাকের দাম বেশি। বিক্রেতারা সুযোগ পেলেই বলছে, বঙ্গবাজারে আগুন লাগায় পোশাক সরবরাহ কমে গেছে। এ কারণে বাজারে পোশাকের দাম বেড়ে গেছে।

তিনি বলেন, এবার আমি সারারা কিনেছি। দাম নিয়েছে ৭ হাজার ৫০০ টাকা। গত বছরও সারারা নিয়েছিলাম। তখন এমন পোশাক ৫ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া গিয়েছিল। তবে এবার মার্কেটে তেমন ভিড় না থাকায় কেনাকাটায় তেমন খারাপ লাগেনি।

চট্টগ্রাম শপিং কমপ্লেক্সের অভিজাত পোশাকের শো-রুম ইয়ং রেডির মালিক মো. জাবেদ বলেন, আলহামদুলিল্লাহ বেচাকেনা ভালো। বিগত বছরগুলোতে দেখেছি, ঈদের শেষ মুহূর্তে এসে বেচাকেনার ধুম পড়ে যেত। এবার এ ক্ষেত্রে একটু ভিন্নতা এসেছে। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত শ্রেণির লোকেরা এবার ঈদে আগেভাগে কেনাকাটা শুরু করেছেন।

নিউমার্কেটের জরিনা ফ্যাশেনের মালিক ওবায়দুর রহমান বলেন, মার্কেটে এখনও ভিড় জমেনি। তবে কেনাকাটা কম হচ্ছে না। কেনাকাটা ভালো। ভিড় না থাকায় মার্কেটে আসা ক্রেতারা একটু স্বস্তিও বোধ করছেন। দেখে-শুনে পোশাক কেনার সুযোগ পাচ্ছেন।

নগরের টেরিবাজারের ব্যবসায়ী মাওলানা ইউসুফ বলেন, টেরিবাজার শাড়ির জন্য প্রসিদ্ধ। ইন্ডিয়া, পাকিস্তান, চীন, থাইল্যান্ডসহ নানা দেশ থেকে শাড়ি ও অন্যান্য কাপড় আসে। শবে বরাতের পর থেকে এ পর্যন্ত বাজারে ভালো শাড়ি বিক্রি হয়েছে।

জেএন/হিমেল/এমআর

KSRM
পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জয়নিউজবিডি.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

এই বিভাগের আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ