শেখ হাসিনা: চিরবিস্ময় যিনি বিশ্ববিধাতৃর!

0

শেখ হাসিনা ম্যাজিকে অবাক দেশ। ততোধিক অবাক বিশ্ব নেতারা। শেখ হাসিনা নামটি এমন এক ম্যাজিক, চিরবৈরী চিন আর চিরবন্ধু ভারতকে দুই হাতে রেখে, যিনি পেছনে রেখেছেন পরাশক্তি রাশিয়াকে। সামনে রয়েছে বিশ্ব মোড়ল আমেরিকা, তো পাশে তাঁর সৌদিরাজ্য। মালয়েশিয়া, ব্রাজিল, সিঙ্গাপুর, কাতার, ইরানতো পাশে আছেই। কূটনৈতিক মুখরতা ঝেড়ে তিনি সমর্থন আদায় করে ছাড়লেন পাকিস্তান, তুরস্ক থেকেও। ওআইসি থেকে শুরু করে জাতিসংঘ; পৃথিবীর এমন কোনো ছোট-বড় গুরুত্বপূর্ণ দেশ বা প্রতিষ্ঠান নেই, শেখ হাসিনাকে সমর্থন জানায়নি। সম্প্রতি ভারতীয় প্রভাবশালী গণমাধ্যম সিএনএন নিউজ এইটটিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আলোচনার তুঙ্গে এসেছেন তিনি। অনন্য উচ্চতার শেখ হাসিনাকে নিয়ে জয়নিউজ সম্পাদক অহীদ সিরাজ চৌধুরী (স্বপন)-এর বিশেষ সম্পাদকীয়-

শেখ হাসিনা ম্যাজিকে অবাক দেশ। ততোধিক অবাক বিশ্ব নেতারা। শেখ হাসিনা নামটি এমন এক ম্যাজিক, চিরবৈরী চিন আর চিরবন্ধু ভারতকে দুই হাতে রেখে, যিনি পেছনে রেখেছেন পরাশক্তি রাশিয়াকে। সামনে রয়েছে বিশ্ব মোড়ল আমেরিকা, তো পাশে তাঁর সৌদিরাজ্য। মালয়েশিয়া, ব্রাজিল, সিঙ্গাপুর, কাতার, ইরানতো পাশে আছেই। কূটনৈতিক মুখরতা ঝেড়ে তিনি সমর্থন আদায় করে ছাড়লেন পাকিস্তান, তুরস্ক থেকেও। ওআইসি থেকে শুরু করে জাতিসংঘ; পৃথিবীর এমন কোনো ছোট-বড় গুরুত্বপূর্ণ দেশ বা প্রতিষ্ঠান নেই, শেখ হাসিনাকে সমর্থন জানায়নি।

নির্বাচনে ভূমিধস বিজয়ের পর ঢাকায় ১৯ জানুয়ারি দলের নির্বাচনি বিজয় উদ্‌যাপন করলেন। বিশ দিন ধরে বহু সমালোচক বলেছেন, নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে। বিরোধী দল রুটিন বিরোধিতায় নেমেছে নির্বাচনের পরদিন থেকেই। অনেক মানুষের চোখ ছিল নির্বাচনি কারচুপির বিস্তর অভিযোগ নিয়ে কী বলেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু কৌশলী প্রধানমন্ত্রী কথিত কারচুপির ব্যাপারে একটি শব্দও উচ্চারণ করেনি। সমালোচনার ক্ষুরধার জবাব দেওয়া যাঁর সহজাত, মহাবিজয়ে অহংকারী কোনো বক্তব্য না রেখে তাঁর এই মৌনতা অনেককেই অবাক করেছে।

বিজয় অধিবেশনের ভাষণে শেখ হাসিনা বরঞ্চ চতুর্থ দফার শাসনে তিনি কী করতে চান, তার একটি ইঙ্গিত দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। বলেছেন, এবারও তার প্রধান লক্ষ্য হবে মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন। সেইসঙ্গে জোরালো ইঙ্গিত দিয়েছেন, দুর্নীতি এবং মাদক সমস্যাকে তিনি বিশেষভাবে টার্গেট করবেন। একদিকে দল, আরেকদিকে সরকার, দেশ ও দেশের বাইরের নানামুখি শক্তিকে জয় করে এভাবেই এগিয়ে যাচ্ছেন কৌশলী প্রধানমন্ত্রী। বলা বাহুল্য, এই কৌশল দেশকে সামনের দিকে নিয়ে যাওয়ার কৌশলই বটে।

শেখ হাসিনাকে প্রায়শই মালয়েশিয়ার মাহাথির মোহাম্মদ ও সিঙ্গাপুরের লি কুয়ান ইউয়ের উদাহরণ দিতে দেখা যায়। পশ্চিমা মিডিয়ার চোখে তাঁরাও স্বৈরশাসক ছিলেন। যখন তাঁরা তাদের দেশকে উন্নয়নের পথে নিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন অনেক মিডিয়াই তাঁদের বিরোধিতা করেছে। অথচ দেশগুলোর ভাগ্যের চাকা ঘোরার সঙ্গে সঙ্গে এখন বিশ্বে নেতৃত্বের উদাহরণ হিসেবে দেখা হয় তাঁদের। ইতিহাস শেখ হাসিনাকেও তাঁদের কাতারেই মাপবে। তাইতো পশ্চিমা গণমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘একনায়ক’ হিসেবে অভিহিত করার বিষয়টি তাঁর জন্য ‘মর্যাদার প্রতীক’ (ব্যাজ অব অনার) বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়। জাতীয় নির্বাচনের আগের সন্ধ্যায় বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন জয়।

কিন্তু ঐতিহাসিক নির্বাচনের ভূমিধস বিজয়ের পর বিশ্ব নেতৃত্ব কিন্তু শেখ হাসিনাকে মূল্যায়ন করতে বাধ্য হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বাংলাদেশের নির্বাচন পরিস্থিতি নিয়ে একটি রিপোর্ট তৈরি করে বিভিন্ন দেশে কর্মরত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতদের কাছে পাঠানো হয়েছে নির্বাচনের পরপরই। এই গোপন বার্তা সব দেশের দূতাবাস থেকে চলে যায় দেশে দেশে। সেই প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করেই প্রত্যেক দেশের সরকারকে বাংলাদেশের নির্বাচন পরিস্থিতি সম্পর্কে জানাতে পারেন বাংলাদেশের দূতাবাসগুলো।

নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরপরই দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ এবং পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ভারতের প্রধানমন্ত্রীই প্রথম বিদেশি নেতা, যিনি শেখ হাসিনাকে দেশটির টানা তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় শুভেচ্ছা জানিয়ে ফোন করেন।  ফোনে মোদি বলেন, আওয়ামী লীগের এই বিজয় হচ্ছে শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্জিত অসামান্য উন্নয়নের প্রতিফলন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর দেশের জনগণকে শুভেচ্ছা জানান।

ওইদিন বিকালে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ঝং জুও গণভবনে গিয়ে শেখ হাসিনাকে দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের পক্ষ থেকে অভিনন্দন বার্তা পৌঁছে দেন। শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগকে ‘ইসলাম বিরোধী’ হিসেবে অপপ্রচারের একটি সময় ছিল একসময়। কিন্তু সমালোচকের মুখে কুলুপ এঁটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) মহাসচিব ড. ইউসেফ আল-ওথাইমেন। তিনি আশাপ্রকাশ করেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে শান্তি, উন্নয়ন ও অগ্রগতির যাত্রা অব্যাহত থাকবে। সম্প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের ৪৬তম কাউন্সিলের জন্য ওআইসির উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রস্তুতিসভায় ওআইসি মহাসচিব এ মন্তব্য করেন। সৌদি আরবের জেদ্দায় ওআইসির মহাসচিব বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব শহিদুল হকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালেও শুভেচ্ছা জানান। এ সময় তাঁরা বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয় ও ওআইসির সাধারণ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেন।

শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী, সৌদি আরবের বাদশা ও ক্রাউন প্রিন্স এবং কাতারের আমিরও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শেখ হাসিনাকে। একইদিন শেখ হাসিনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান কাতারের আমির শেখ তামীম বিন হামাদ আল থানি।  সৌদি বাদশাহ শুভেচ্ছাবার্তায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাফল্য কামনা করেন এবং বাংলাদেশের জনগণের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানান উত্তর কোরিয়ার পার্লামেন্টের প্রেসিডেন্ট কিম ইয়ং নাম ও প্রধানমন্ত্রী পাক পং জু। শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানানো অন্যান্য বিশ্ব নেতৃবৃন্দ হলেন- ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি, ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নাগমায়েল ওয়াংচুক, ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস, নেপালের প্রধানমন্ত্রী খড়গ প্রসাদ শর্মা ওলি ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং। এছাড়া  ভারতীয় কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী, বিজেপির সাধারণ সম্পাদক রাম মাধব, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী এবং ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফোন করে অভিনন্দন জানান।

আন্তর্জাতিক শক্তিগুলো এখন স্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছে, বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচনের খবর অনেক গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের উল্লেখযোগ্য সব গণমাধ্যমই নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোটের জয়লাভের ব্যাপারে আভাস দিয়েছিল। যার কারণ হিসেবে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিগত ১০ বছরে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়নকেই তুলে ধরা হয়েছিল। বিশেষ করে একদশক ধরে ৬ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য তাঁর নেতৃত্বের প্রশংসা করা হয়। একইসঙ্গে ব্যবসাবান্ধব নীতির কারণে দেশের ব্যবসায়ীরা তাঁকে আবারও ক্ষমতায় চান বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছিল।

গত ১৯ জানুয়ারি রাতে ভারতীয় প্রভাবশালী গণমাধ্যম সিএনএন নিউজ এইটটিনকে দেওয়া বঙ্গবন্ধুকন্যার সাক্ষাৎকার আলোচনায় এসেছে। সাক্ষাৎকারটি নেন জাকা জ্যাকব।  ভারতের গণমাধ্যম সিএনএন-নিউজ এইটিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০১ এবং ১৯৯৬ সালের নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনের সমালোচনাকারীদের উচিত বাংলাদেশের নির্বাচনের ইতিহাস পর্যবেক্ষণ করা। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নির্বাচনের সমালোচনা হতেই পারে, তবে তাদেরকে বাস্তবতাও বুঝতে হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর এই আলোচিত সাক্ষাৎকারে সেই সত্যই উঠে এসেছে- বিগত ১০ বছরে দেশকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন তিনি। যা রীতিমতো বিশ্বের বিস্ময়। তাঁর নেতৃত্বে ইতোমধ্যে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে ওঠার মানদণ্ড পূরণ করেছে বাংলাদেশ। নিজের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও সাহসী কর্মকাণ্ড দিয়ে আরো আগেই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছেন শেখ হাসিনা। ফোর্বস পত্রিকা ২০১৮ সালে বিশ্বে ক্ষমতাধর ১০০ নারীর তালিকায় ২৬তম স্থানে রাখে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। বিশ্ববাসী তাঁকে দিয়েছে নানা উপাধি। ‘নারী অধিকারের স্তম্ভ’বলেছেন কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়নমন্ত্রী মেরি ক্লড বিবেউ। ‘মানবিক বিশ্বের প্রধান নেতা’বলেছে অক্সফোর্ড নেটওয়ার্ক অব পিস নামক একটি সংস্থা।

একজন সাধারণ রাজনৈতিকসচেতন ব্যক্তি হিসেবে আমি মনে করি, শেখ হাসিনার আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তার জন্যই এবারের নির্বাচনে ঐতিহাসিক জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ। স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৩ সালের প্রথম নির্বাচনের পর নৌকা মার্কার এটাই সবচেয়ে বড় জয়। তাই আজ বাংলাদেশের উন্নয়নপ্রশংসায় পঞ্চমুখ বিশ্বনেতারা। দেশে যে বিজয়ের কেতন উড়িয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা, তাঁকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন বিশ্ব নেতারা।

শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খাদ্যে বাংলাদেশ আজ দক্ষিণ এশিয়ার যেকোনো দেশকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে। সামাজিক নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিয়ে বাংলাদেশের প্রশংসা করছেন বিশ্বনেতারা। নারী উন্নয়নে বাংলাদেশের অগ্রগতি ঈর্ষণীয়। বিশ্ব ব্যাংককে চ্যালেঞ্জ করে নিজেদের অর্থায়নে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করে গোটা দুনিয়াকে তাক লাগিয়েছেন শেখ হাসিনা। দেশ-বিদেশের ষড়যন্ত্র আর বাধা উপেক্ষা করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে বৈশ্বিক আলোচনা-সমালোচনাতেও গুরুত্ব পেয়েছেন তিনি।

পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে পাকিস্তানের মসনদে বসেছেন ক্রিকেট তারকা ইমরান খান। সম্প্রতি দেশটির এক উন্নয়ন আলোচক ইমরান খানের উদ্দেশ্যে বলেছেন, ‘অন্য কোনো দেশের উদাহরণ দিয়ে লাভ নেই, পাকিস্তানের উচিত প্রথমে বাংলাদেশ হওয়ার চেষ্টা করা। তা হতে কমপক্ষে দশ বছর সময় লাগবে।’ইমরান খানের প্রতি আলোচকের এই খেদোক্তির প্রমাণ মিলেছে নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরপরই প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে চিরশত্রু পাকিস্তানের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছাবার্তায়। অবাক হলেও সত্যি, বিশ্বের ছোট-বড় সব দেশের কাতারে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এক রাষ্ট্রীয় বিবৃতিতে বাংলাদেশের নির্বাচনে বিজয়ী জোটকে স্বাগত জানাতে একপ্রকার বাধ্য হয়। যেমন তাঁর ক্যারিশমা, তেমন তাঁর করিৎকর্মা! বিদ্রোহী কবি নজরুলের মতো বলতে গেলে- সব ছাপিয়ে শেখ হাসিনা তেমনই একজন ‘চির-বিদ্রোহী বীর’, যিনি ‘বিশ্ব ছাড়ায়ে’ উঠিয়াছে ‘একা চির-উন্নত শির’!

আরও পড়ুন
লোড হচ্ছে...