ক্ষমতায় গেলে নোয়াখালীকে বিভাগ করার ঘোষণা জামায়াত আমীরের

অনলাইন ডেস্ক

এগারো দলীয় জোট ক্ষমতায় গেলে নোয়াখালীকে বিভাগ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘নোয়াখালীর অনেকগুলো ন্যায্য দাবি আছে। আমি সেই দাবিগুলো এখানে পেয়েছি। নোয়াখালীবাসী বিভাগ চায়, সিটি কর্পোরেশন চায়। আমরা ক্ষমতায় গেলে ইনসাফের মাধ্যমে আপনাদের এই প্রাণের দাবিগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করব ইনশাআল্লাহ।’

- Advertisement -

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে নোয়াখালী জিলা স্কুল মাঠে আয়োজিত ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।

- Advertisement -
google news follower

ডা. শফিকুর রহমান নোয়াখালীর উন্নয়নে ৬টি সুনির্দিষ্ট দাবির কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘নোয়াখালী বিভাগ ও সিটি কর্পোরেশনের দাবির পাশাপাশি হাতিয়া-কোম্পানীগঞ্জ-সুবর্ণচর নদী ভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ, কোম্পানীগঞ্জ-ছোট ফেনী নদীতে ক্লোজার নির্মাণ এবং সোনাপুর থেকে হাতিয়া চেয়ারম্যানঘাট পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণ করা হবে।’

সুবর্ণচরের এক নির্যাতিতা মায়ের স্মরণে তিনি বলেন, ‘সুবর্ণচরে একজন দুখিনী মা, যাকে হায়েনারা কষ্ট দিয়েছিল ধানের শীষে ভোট দেওয়ার কারণে, ওই মায়ের সম্মানে সেখানে আমরা নির্বাচিত হলে পৌরসভা করব ইনশাআল্লাহ।’

- Advertisement -
islamibank

নির্বাচন ও প্রতীক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘১২ তারিখ দুটি ভোট হবে। প্রথম ভোটটি হবে সংস্কার ও আজাদীর পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট। আর দ্বিতীয় ভোটটি হবে ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লা ও শাপলা কলির পক্ষে।’

ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আগামী ১৩ তারিখ থেকে এক নতুন বাংলাদেশ দেখবেন। গত দেড় বছর যারা ধৈর্য ধরতে পারেননি এবং অধৈর্য হয়ে অপকর্মে লিপ্ত হয়েছেন, তাদের জন্য অশনিসংকেত শুরু হয়ে গেছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা অনেকেই মজলুম ছিলাম। কিন্তু যারা ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই অধৈর্য হয়ে বিভিন্ন অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছেন, তাদের হাতে দেশ নিরাপদ নয়। আমরা ৫৬ হাজার বর্গমাইলের প্রতি ইঞ্চি মাটিকে এবং এদেশের প্রতিটি মানুষকে ভালোবাসি। প্রতিটি ধর্মের লোক আমাদের ভাই। আমাদের ওপর হামলা-মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছে, কিন্তু আমরা কারও ওপর পাল্টা মিথ্যা মামলা দেয়নি বা মামলা বাণিজ্য করিনি।’

জনসভায় তিনি নোয়াখালী-১ আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা সাইফুল্লাহ, নোয়াখালী-৩ আসনের মাওলানা বুরহান উদ্দিন, নোয়াখালী-৪ আসনের মো. ইসহাক খন্দকার এবং নোয়াখালী-৫ আসনের বেলায়েত হোসেনের হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক এবং নোয়াখালী-২ আসনের সুলতান মোহাম্মদ জাকারিয়া ও নোয়াখালী-৬ আসনের প্রার্থীর হাতে শাপলা কলি প্রতীক তুলে দেন।

জেএন/এমআর

KSRM
পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জয়নিউজবিডি.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

এই বিভাগের আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ