হালদা নদীতে বিক্ষিপ্তভাবে ডিম ছেড়েছে মা মাছ, নদীপাড়ে উৎসবের আমেজ

অনলাইন ডেস্ক

দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র চট্টগ্রামের হালদা নদীতে বছরের শুরুতেই কার্পজাতীয় মা মাছ নমুনা ডিম ছেড়েছে।

- Advertisement -

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নদীর বিভিন্ন স্থানে রুই, কাতাল, মৃগেল ও কালিবাউশ প্রজাতির মা মাছ বিক্ষিপ্তভাবে ডিম ছাড়ে।

- Advertisement -
google news follower

তবে সন্ধ্যা কিংবা রাতে মা মাছ পুরোদমে ডিম ছাড়তে পারে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

এ আশায় হালদা নদীর পাড়ে ডিম সংগ্রহের সরঞ্জাম নিয়ে অপেক্ষা করছেন শত শত ডিম সংগ্রাহক।

- Advertisement -
islamibank

সংগ্রহ করা ডিম থেকে পোনা উৎপাদনের জন্য সরকারি ও বেসরকারি হ্যাচারিগুলোও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ব্যক্তি মালিকানাধীন মিনি হ্যাচারি ও মাটির কুয়াও প্রস্তুত রয়েছে।

হাটহাজারী উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা শওকত আলী বলেন, বৃহস্পতিবার হালদা নদীর আজিমের ঘাট থেকে অঙ্কুরীঘোনা ও সত্তারঘাট পর্যন্ত বিভিন্ন স্পটে মা মাছ বিক্ষিপ্তভাবে নমুনা ডিম ছেড়েছে। নমুনা ডিম হলেও পরিমাণে তা বেশ ভালো।

শওকত আলী বলেন, ‘আবহাওয়া এখন ডিম ছাড়ার জন্য অনুকূলে আছে। কয়েক দিন পর্যাপ্ত বৃষ্টি হয়েছে। পাহাড়ি ঢলও আছে।

পানির গুণগত মানও ভালো। সব মিলিয়ে ডিম ছাড়ার জন্য সুন্দর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আশা করছি, আজ সন্ধ্যা অথবা রাতে মা মাছ পূর্ণাঙ্গভাবে ডিম ছাড়বে।’

হালদা পাড়ের প্রবীণ ডিম সংগ্রাহক জালালউদ্দিন বলেন, এ বছর যথাসময়ে হালদা নদীতে মা মাছ নমুনা ডিম দিয়েছে।

তিনি এ পর্যন্ত ১০০ থেকে ২০০ গ্রাম নমুনা ডিম সংগ্রহ করেছেন। তাঁর আশা, বিকেলের মধ্যে কিংবা রাতে মা মাছ পুরোদমে ডিম ছাড়বে।

ডিম সংগ্রহের জন্য ইতিমধ্যে প্রায় অর্ধসহস্রাধিক সংগ্রাহক নদীর পাড়ে অবস্থান নিয়েছেন। তাঁরা প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিয়ে প্রস্তুত আছেন।

চট্টগ্রামের হাটহাজারী, ফটিকছড়ি ও রাউজান উপজেলাজুড়ে প্রায় ৯৮ কিলোমিটার দীর্ঘ হালদা নদী বিস্তৃত।

প্রতিবছর চৈত্র থেকে আষাঢ় মাসের মধ্যে পূর্ণিমা ও অমাবস্যার তিথিতে বজ্রসহ বৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢল নামলে এই নদীতে মা মাছ ডিম ছাড়ে।

KSRM
পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জয়নিউজবিডি.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

এই বিভাগের আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ