চট্টগ্রামে অস্ট্রেলিয়ার দাপট, টি-টোয়েন্টি সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে জয়

অনলাইন ডেস্ক

চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচেও অস্ট্রেলিয়ার কাছে হার মানতে হয়েছে বাংলাদেশকে।

- Advertisement -

৭ উইকেটের জয়ে সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে পূর্ণ আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছে সফরকারীরা।

- Advertisement -
google news follower

ফলে টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে অষ্টমবারের মতো তিন ম্যাচের দ্বিপাক্ষিক সিরিজে ধবলধোলাই হওয়ার তিক্ত অভিজ্ঞতা হলো বাংলাদেশের।

এর আগে সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে যথাক্রমে ৪ উইকেট ও ৭ রানে হেরেছিল স্বাগতিকরা।

- Advertisement -
islamibank

ওয়ানডে সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জয়ের আনন্দ নিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু করলেও শেষ পর্যন্ত হতাশাই সঙ্গী হয়েছে টাইগারদের।

টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ।

দলীয় ১১ রানেই ফিরে যান ওপেনার তানজিদ হাসান (৫), সাইফ হাসান (১) ও পারভেজ হোসেন ইমন (১)। শুরুর এই ধাক্কায় ইনিংসের ভিত্তিই নড়ে যায়।

ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয় ও নুরুল হাসান কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও সেটি বেশিদূর এগোয়নি। নুরুল ৬ রান করে বিদায় নেন। এরপর শামীম হোসেন শূন্য রানে আউট হলে মাত্র ৩৬ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে বড় সংকটে পড়ে বাংলাদেশ।

এমন পরিস্থিতিতে একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়াই চালিয়ে যান তাওহিদ হৃদয়। রিশাদ হোসেনের সঙ্গে ২৬ রানের জুটি গড়ার পর শরিফুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদের সঙ্গেও গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারত্বে দলকে সম্মানজনক সংগ্রহের দিকে এগিয়ে নেন তিনি।

দলের অন্য ব্যাটারদের ব্যর্থতার দিনে হৃদয় খেলেন দায়িত্বশীল ও দৃঢ়চেতা ইনিংস। ৫১ বলে ৩টি চার ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে অপরাজিত ৬১ রান করেন তিনি।

এটি ছিল তার টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের সপ্তম অর্ধশতক। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১০৯ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে স্পেনসার জনসন, নাথান এলিস ও অ্যাডাম জাম্পা দুটি করে উইকেট নেন।

জয়ের জন্য ১১০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে অস্ট্রেলিয়া। পাওয়ার প্লেতেই ৫৪ রান তুলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় তারা।

অধিনায়ক মিচেল মার্শ ছিলেন বাংলাদেশের বোলারদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

মাত্র ২৩ বলে নিজের ১৪তম টি-টোয়েন্টি অর্ধশতক পূর্ণ করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ২৮ বলে ৭টি চার ও ৪টি ছক্কার সাহায্যে ৬০ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক।

জশ ইংলিশ ১৭ ও কুপার কনোলি ১৫ রান করলেও তাদের ফিরিয়ে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করে বাংলাদেশ। তবে ১০০ রানে তৃতীয় উইকেট হারানোর পর ম্যাট রেনশ ও টিম ডেভিড মাত্র ৩ বলেই দলের জয় নিশ্চিত করেন।

১১ ওভারেই ৩ উইকেট হারিয়ে ১১২ রান তুলে ৭ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে অস্ট্রেলিয়া।

বাংলাদেশের হয়ে নাসুম আহমেদ, শরিফুল ইসলাম ও রিশাদ হোসেন একটি করে উইকেট নেন।

ম্যাচসেরা হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক মিচেল মার্শ। আর পুরো সিরিজে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে সিরিজসেরার পুরস্কার জিতেছেন ম্যাট রেনশ।

ওয়ানডে সিরিজে সাফল্যের পর টি-টোয়েন্টিতে এমন হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশের জন্য নিঃসন্দেহে বড় হতাশা।

অন্যদিকে ব্যাটিং, বোলিং ও সামগ্রিক পারফরম্যান্সে শ্রেষ্ঠত্ব দেখিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজ ৩-০ ব্যবধানে নিজেদের করে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

KSRM
পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জয়নিউজবিডি.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

এই বিভাগের আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ