কলকাতায় শেষ নিঃশ্বাস: দেশে ফিরছে রোটনের মরদেহ, দাফন রাউজানে

অনলাইন ডেস্ক

ভারতের কলকাতায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন।

- Advertisement -

৪৮ বছর বয়সী এই রাজনীতিকের মরদেহ রোববার দুপুরের পর ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

- Advertisement -
google news follower

রাজধানীতে জানাজা শেষে মরদেহ নেওয়া হবে চট্টগ্রামের রাউজানে তাঁর গ্রামের বাড়িতে। সেখানে আরেক দফা জানাজা শেষে তাঁকে দাফন করা হবে।

শনিবার সকাল ৭টার দিকে কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোটনের মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যুর পর মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে কলকাতায় বাংলাদেশের উপহাইকমিশনে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়।

- Advertisement -
islamibank

কলকাতায় অবস্থানরত নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিয়াকত শিকদার জানান, রোববার দুপুরের পর রোটনের মরদেহ ঢাকায় পৌঁছাবে। ঢাকায় জানাজা শেষে তা চট্টগ্রামের রাউজানে নেওয়া হবে। সেখানে জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হবে।

রোটনের মরদেহের সঙ্গে থাকা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তাজরিরুল হক অনু জানান, রোববার ভোর ৪টার দিকে কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতাল থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন তাঁরা।

বেনাপোল সীমান্তে পৌঁছানোর পর অন্য একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহ ঢাকায় নেওয়া হবে।

ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন। তাঁর স্ত্রী আরেফা সুলতানা জানান, মৃত্যুর ছয় দিন আগে তাঁকে কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

চিকিৎসার জন্য দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে কলকাতায় অবস্থান করছিলেন রোটন। তবে শেষ পর্যন্ত আর সুস্থ হয়ে দেশে ফেরা হলো না তাঁর।

মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ছাত্রলীগের রাজনীতিতে দীর্ঘ সময় সক্রিয় থাকার পর তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতেও যুক্ত হন।

২০২১ সালে তাঁকে আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তিবিষয়ক উপকমিটির সদস্য মনোনীত করা হয়। পরবর্তী সময়ে তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড আওয়ামী লীগকেন্দ্রিক ছিল।

ব্যক্তিজীবনে স্ত্রী আরেফা সুলতানা ও এক বছর বয়সী যমজ দুই ছেলে সন্তান রয়েছে রোটনের। তাঁর মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও পরিচিতজনদের মধ্যে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে।

কলকাতায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় জীবনের শেষ সময় কাটানোর পর এবার দেশের মাটিতে ফিরছে তাঁর মরদেহ।

ঢাকায় জানাজা এবং রাউজানে দাফনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে সাবেক এই ছাত্রলীগ নেতার জীবনের শেষযাত্রা। পেছনে রয়ে যাবে পরিবার, স্বজন এবং তাঁর রাজনৈতিক জীবনের নানা স্মৃতি।

KSRM
পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জয়নিউজবিডি.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

এই বিভাগের আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ