গ্রিন চ্যানেল দিয়ে স্বর্ণালংকারের ঘোষণা ছাড়াই বিমানবন্দর পার হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন এক যাত্রী। জিজ্ঞাসাবাদে স্বর্ণ বহনের কথা অস্বীকার করলেও শেষ পর্যন্ত তার হ্যান্ডব্যাগ তল্লাশি করে পাওয়া গেল ৪৯টি স্বর্ণের চুড়ি।
উদ্ধার করা এসব স্বর্ণের ওজন ১ কেজি ৪৮০ গ্রাম, যার শুল্ক-করসহ আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২ কোটি ৮০ লাখ টাকা।
রবিবার সকালে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এসব স্বর্ণালংকার আটক করে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি)।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সকাল ১১টা ১২ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-১৩৬ ফ্লাইটে জেদ্দা থেকে চট্টগ্রামে আসেন এমডি শরীফ নামের ওই যাত্রী।
বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর কোনো স্বর্ণালংকারের ঘোষণা না দিয়েই গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমের চেষ্টা করেন তিনি। তবে আগে থেকেই সতর্ক অবস্থানে থাকা কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তারা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
জিজ্ঞাসাবাদের সময় এমডি শরীফ তার সঙ্গে স্বর্ণ থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেন। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অন্যান্য সংস্থার উপস্থিতিতে বিমানবন্দরের কাস্টমস হলরুমে তার সঙ্গে থাকা হ্যান্ডব্যাগ তল্লাশি করা হয়।
তল্লাশির একপর্যায়ে ব্যাগের ভেতর থেকে ৪৯টি স্বর্ণের চুড়ি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা স্বর্ণালংকারের মোট ওজন ১ কেজি ৪৮০ গ্রাম বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জব্দ করা স্বর্ণের শুল্ক-করসহ আনুমানিক বাজারমূল্য ২ কোটি ৮০ লাখ ২৩ হাজার ৮০০ টাকা।
স্বর্ণালংকারের ঘোষণা না দিয়ে গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমের চেষ্টার বিষয়টি সামনে আসার পর হ্যান্ডব্যাগে তল্লাশি চালিয়ে এই স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়।
বিমানবন্দর দিয়ে স্বর্ণ চোরাচালান প্রতিরোধে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এ অভিযানও সেই নজরদারির অংশ।




