মাঝপথে পণ্য গায়েব, বিদেশ যায় খালি কনটেইনার

রপ্তানির জন্য গার্মেন্টস পণ্য কারখানা থেকে নিয়ে যাওয়া হয় বন্দরে। তবে পণ্যভর্তি এই কনটেইনার বিদেশ গিয়ে খুললে দেখা যায় খালি! কারখানা থেকে বন্দরে নেওয়ার মাঝপথেই গায়েব হয়ে যায় পণ্য।

- Advertisement -

অভিনব কায়দায় পণ্য গায়েব করে দেওয়া এমন একটি চক্রের সন্ধান পেয়েছে নগর গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয়েছে এই চক্রের ৮ সদস্যকে। সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকালে নগরের হালিশহর থানার পোর্ট কানেকটিং (পিসি) রোড়ের ওয়াপদা মোড় এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

- Advertisement -
google news follower

এদিকে উদ্ধার করা হয়েছে ১টি লং ভেহিকেল, ৫৩৫ কার্টন মালামালসহ কার্ভাডভ্যান।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শিপমেন্টের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন গার্মেন্টস থেকে বন্দরের উদ্দেশ্যে যাওয়া কার্ভাডভ্যান ও লরি থেকে কৌশলে মালামাল সরিয়ে ফেলে এই চক্রটি। আর এই পুরো কাজে যোগসাজশ থাকে গাড়ির ড্রাইভার ও হেলপারের। সিলগালা ও তালা নষ্ট না হওয়াতে রপ্তানিযোগ্য পোশাকগুলো সরিয়ে ফেলার পরও খালি কনটেইনার শিপমেন্ট হয়ে চলে যায় বিদেশে।

- Advertisement -
islamibank

নগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি-উত্তর) মির্জা সায়েম মাহমুদ জয়নিউজকে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নগরের হালিশহর থানার পোর্ট কানেকটিং (পিসি) রোড়ের ওয়াপদা মোড় থেকে রপ্তানিযোগ্য গার্মেন্টস পণ্য লুটের সঙ্গে জড়িত সিন্ডিকেটের ৮ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলো আহম্মেদ বিন জামিল (৪০), মো. নিজাম উদ্দিন (৩৯), মো. মোসলেম উদ্দিন (৪২), ড্রাইভার মো. ইকবাল হোসেন, মো. দেলোয়ার হোসেন (৩৫), ড্রাইভার মো. ইয়াকুব (২৬), হেলপার মো. সাইফুল(২৫) ও মো. আক্তার হোসেন (৩৫)।

এই চক্রটির বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা এমনভাবে কাস্টমের সিলগালা কনটেইনার থেকে মালামাল লুট করে বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই। তাই রপ্তানিযোগ্য পোশাকগুলো সরিয়ে ফেলার পরও খালি কনটেইনার শিপমেন্ট হয়ে চলে যায় বিদেশে। আর তাদের এসব কর্মকাণ্ডের কারণে বাংলাদেশের গার্মেন্টস সেক্টরের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

জয়নিউজ

KSRM
পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জয়নিউজবিডি.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

এই বিভাগের আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ