কৃষিজমি রক্ষায় কৃষি শুমারি করতে হবে: সুজন

নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খোরশেদ আলম সুজন বলেন, কৃষিজমিতে স্থাপনা নির্মাণ বন্ধ এবং অকৃষি খাতে জমির ব্যবহার রোধ করে কৃষিজমি রক্ষার্থে অবিলম্বে নগরসহ বিভিন্ন এলাকায় কৃষি শুমারি করতে হবে।

- Advertisement -

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দীনের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।
বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় উপ-পরিচালকের দপ্তরে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

- Advertisement -
google news follower

এসময় সুজন বলেন প্রতি বছর জনসংখ্যা বৃদ্ধি, কৃষিজমিতে স্থাপনা নির্মাণ, অকৃষি খাতে জমির ব্যবহার বৃদ্ধি ইত্যাদি কারণে বর্তমানে কৃষিজমি ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। আমাদের মনে রাখতে হবে কৃষিই হচ্ছে আমাদের প্রাণ। জলবায়ু পরিবর্তন, বিরূপ আবহাওয়া, অনাবৃষ্টি, অতিবৃষ্টি, বন্যা, খরা ও প্রাকৃতিক সব বাধা পেরিয়ে কৃষিই বাংলাদেশের অন্যতম চালিকাশক্তি। বিশ্বকে তাক লাগিয়ে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। তাই যেকোন মূল্যে কৃষিজমিকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে।

ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন কৃষি জমিকে কোনো অবস্থাতেই আবাসিক কিংবা বাণিজ্যিক খাতে রূপান্তরিত করা যাবে না। তাই কৃষিজমিকে রক্ষার কার্যকর উদ্যোগ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরকেই গ্রহণ করতে হবে।

- Advertisement -
islamibank

তিনি আরও বলেন বর্তমানে নগরের প্রাকৃতিক শস্য ভাণ্ডার খ্যাত পতেঙ্গা থেকে কাট্টলী এবং বাকলিয়ার বিশাল কৃষিজমি ক্রমান্বয়ে নগরায়নের নামে গ্রাস করে ফেলা হচ্ছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে নগরীতে আর কোনো কৃষিজমিই অবশিষ্ট থাকবে না।

কৃষিজমি রক্ষার্থে কৃষিজমিতে স্থাপনা করার পূর্বে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে যেন অনাপত্তি সংগ্রহ করা হয় তার ব্যবস্থা গ্রহণ করারও আহ্বান জানান তিনি।

উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দীন নাগরিক উদ্যোগকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন কৃষি এবং কৃষকদের স্বার্থ নিয়ে আলোচনা করার জন্য অত্র দপ্তরে আসা আমার জন্য এক প্রকার নতুন অভিজ্ঞতা।

তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন প্রধানমন্ত্রীর সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে কৃষিজমিতে কোনোপ্রকার আবাসিক কিংবা বাণিজ্যিক স্থাপনা করা যাবে না। ইতোমধ্যে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরও মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। তারপরও ব্যক্তি বিশেষ, সরকারি এবং বেসরকারি সংস্থা অনেকটা জোর করে কৃষিজমিতে আবাসিক এবং বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণ করা যাচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়ন আমাদের জন্য কঠিন হয়ে যাবে আর এক সময় জনগণ বস্তা ভরে টাকা নিয়ে গিয়ে থলে ভরেও বাজার করতে পারবে না বলে হতাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাজনীতিবিদ হাজী মো. ইলিয়াছ, আব্দুর রহমান মিয়া, নাগরিক উদ্যোগের সদস্য সচিব হাজী মো. হোসেন, পংকজ চৌধুরী কংকন, শাহেদ বশর, সিরাজদৌল্ল্যা নিপু, হাসান মো. মুরাদ, নগর ছাত্রলীগ সভাপতি এম ইমরান আহমেদ ইমু, মো. ইদ্রিস, কামরুল হাসান রানা, হাসান মুরাদ ও সালাউদ্দিন জিকু।

জয়নিউজ/বিআর
KSRM
পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জয়নিউজবিডি.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

এই বিভাগের আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ