ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে ৯ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। যাচাই-বাছাই শেষে তাঁদের মধ্যে বিএনপি-জামায়াত প্রার্থীসহ তিনজনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
তাছাড়া একই আসনে তিনজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়া তিনজন প্রার্থীকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয় এবং তিন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
বাতিল হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন—স্বতন্ত্র প্রার্থী জিন্নাত আক্তার, আহমদ কবির এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের এইচ এম আশরাফ বিন ইয়াকুব।
গতকাল শুক্রবার সকাল ১১টায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও চট্টগ্রাম-২ আসনের রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা মনোনয়ন যাচাই করেন।
যে তিনজন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে তাঁরা হলেন—বিএনপির সরোয়ার আলমগীর, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ নুরুল আমিন ও জনতার দলের মোহাম্মদ গোলাম নওশের আলী।
নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ১ শতাংশ ভোটারের নাম ও সই জমা দিতে হয়। তবে এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী জিন্নাত আকতার ভোটারের যে তালিকা দিয়েছেন, সেখানে অসত্য তথ্য দেওয়ার অভিযোগ উঠে।
রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, দ্বৈবচয়নের ভিত্তিতে ভোটারের তালিকা যাচাই করে দেখা গেছে ১০ জনের মধ্যে ৮ জনের বিষয়ে অসত্য দেওয়া হয়েছে। স্বাক্ষর করা এক ভোটার ২০২৪ সালে মারা গেছেন।
যথাযথ নথিপত্র জমা না দেওয়ায় আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী আহমদ কবিরের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।
অসম্পূর্ণ ফরম ও দলীয় মনোনয়ন না থাকায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের এইচ এম আশরাফ বিন ইয়াকুবের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে বলে জানান রিটার্নিং কর্মকর্তা।
বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির মো. ওসমান আলীর মনোনয়ন দলীয় মনোনয়নসহ বিভিন্ন নথিপত্র যথাযথ পাওয়া যায়নি।
এ ছাড়া গণ অধিকার পরিষদের রবিউল হাসানের মনোনয়নপত্রে সমর্থনকারীর স্বাক্ষর ছিল না। তাঁদের তিনজনকে প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দিতে আজ বিকেল ৪টা পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে নথি জমা দেওয়া না হলে মনোনয়ন বাতিল হবে।
চট্টগ্রামের ১৬টি আসনের মধ্যে ১৫টি আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা হচ্ছেন বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। অন্য আসনটিতে রয়েছেন আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন চৌধুরী।




