ব্যারিকেড ভেঙে যমুনায় সরকারি চাকরিজীবীরা, টিয়ারশেল নিক্ষেপ

অনলাইন ডেস্ক

৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও বাস্তবায়নের দাবিতে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে বিক্ষোভ করছে সরকারি চাকরিজীবীরা।

- Advertisement -

বিক্ষোভকারীদের পুলিশ জলকামান ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে বলে জানা গেছে।

- Advertisement -
google news follower

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের পাশের সড়কে পুলিশের দেওয়া ব্যারিকেড ভেঙে যমুনার সামনে অবস্থান নেয় সরকারি চাকরিজীবীরা।

আন্দোলনকারীরা জানান, আজকের মধ্যেই ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ করতে হবে, অন্যথায় তারা বাড়ি ফিরবেন না।

- Advertisement -
islamibank

বিগত দিনে বারবার আশ্বাস দেওয়া হলেও গেজেট প্রকাশ না করায় ক্ষোভ জানান তারা।

এছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারের সময় পে-কমিশন গঠন হলেও গেজেট প্রকাশ না হওয়ায় অবিচার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তাদের।

এর আগে সকালে ৯ম-পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও বাস্তবায়নের দাবিতে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জড়ো হন সরকারি চাকরিজীবীরা। এরপর সেখান থেকে যমুনা অভিমুখে যাত্রা করেন তারা।

এর আগে অন্তর্বর্তী সরকার নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের কোনো সিদ্ধান্ত নিচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।

তিনি জানান, পে-কমিশনের প্রতিবেদন শুধু গ্রহণ করা হয়েছে, বাস্তবায়নের বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

ভবিষ্যতে নির্বাচিত সরকার চাইলে এ সিদ্ধান্ত বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারবে।

গত ২৭ জানুয়ারি সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি এবং অর্থনৈতিক বিষয়ক সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান।

উপদেষ্টা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি কর্মচারীদের পক্ষ থেকে পে-কমিশনের দাবি ছিল। সেই ধারাবাহিকতায় একটি স্বাধীন পে-কমিশন প্রতিবেদন দিয়েছে।

তবে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ সীমিত সময়ের হওয়ায় এই সরকার পে স্কেল বাস্তবায়নে যাচ্ছে না।

কমিটি যে সুপারিশ দিয়েছে, তা বাস্তবায়ন করতে গেলে এক লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে।

এই ব্যয়ের অর্থের সংস্থান কোথায় থেকে হবে— এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, এক লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের যে কথা আপনারা বলছেন, সেটা হবে যদি পে-কমিশনের সুপারিশ হুবহু বাস্তবায়ন করা হয় এবং একই সময়ে যদি সব বাস্তবায়ন করা হয়।

বাস্তবতা হলো, এ ধরনের পে-কমিশন একসঙ্গে সব বাস্তবায়িত হয় না, পর্যায়ক্রমে হয়।

সম্ভবত এটি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে। অর্থের সংস্থান কিভাবে হবে, সেটিও সংশ্লিষ্ট কমিটি খতিয়ে দেখবে।

KSRM
পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জয়নিউজবিডি.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

এই বিভাগের আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ