তারেক রহমানকে ফুল ও মিষ্টি পাঠালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

অনলাইন ডেস্ক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐতিহাসিক জয়লাভের পর বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ফুল ও মিষ্টি পাঠিয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

- Advertisement -

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় দলের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই উপহার গ্রহণ করেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান।

- Advertisement -
google news follower

অনুষ্ঠানে গুলশান কার্যালয়ের বিশেষ কর্মকর্তা মেহেদুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভের জন্য তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

- Advertisement -
islamibank

এছাড়া অভিনন্দন জানানো হয়েছে ফ্রান্স, কাতার, চীন, সৌদি আরব, বিমসটেকসহ অন্যান্য দেশের নেতৃবৃন্দকেও। মোদি

তারেক রহমানকে ফোন করে অভিনন্দন জানানো সময় দুই দেশের সম্পর্ক জোরদার এবং অভিন্ন উন্নয়ন লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশের নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান। শপথ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি শুরু করেছে বিএনপি ও অন্তর্বর্তী সরকার।

বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ভারতের পাশাপাশি চীন, পাকিস্তানসহ মোট ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

কূটনৈতিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আমন্ত্রিত দেশের তালিকায় বর্তমানে রয়েছে চীন, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভারত, পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ ও ভুটান।

নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি অতিথিদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে কূটনৈতিক পর্যায়ে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

নিরাপত্তা জোরদার করার জন্যও পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যাতে অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।

নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে তারা দেশের সরকার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

শপথ গ্রহণ পর্যন্ত বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার কার্যকর থাকবে। নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ বাতিল হবে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, শপথ অনুষ্ঠান কেবল প্রশাসনিক একটি পদক্ষেপ নয়; এটি নতুন সরকারের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও কূটনৈতিক সম্পর্কের প্রাথমিক মাইলফলক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ।

ইতিমধ্যেই বিদেশি নেতাদের অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা বাংলাদেশের জন্য কূটনৈতিকভাবে ইতিবাচক বার্তা বহন করছে।

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও এই শপথ অনুষ্ঠানের প্রভাব থাকবে। বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের নীতি ও কার্যক্রমের প্রতি জনগণ ও রাজনৈতিক দলের নজর থাকবে।

সুষ্ঠু ও শক্তিশালী প্রশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা রক্ষা করাই নতুন সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হবে।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান অনুষ্ঠানে জানান, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক নেতাদের অভিনন্দন বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করছে। নতুন সরকার জনগণের কল্যাণ ও দেশপ্রেমকে কেন্দ্র করে কাজ করবে।”

শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকা ও প্রধান শহরগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং স্থানীয় প্রশাসন মিলিয়ে প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, যাতে অনুষ্ঠানে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে।

KSRM
পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জয়নিউজবিডি.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

এই বিভাগের আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ