চকরিয়ায় বালুদস্যুদের হামলায় ৩ সাংবাদিক আহত,হাসপাতালে ভর্তি

অনলাইন ডেস্ক

কক্সবাজারের চকরিয়ায় সংরক্ষিত বনভূমি ও ফসলি জমিতে নাজিম উদ্দীনসহ অর্ধশত বালুদস্যু শ্যালোমেশিন ও ড্রেজার বসিয়ে অবৈধভাবে ভূ-গর্ভস্থ বালু উত্তোলন করছিলেন।

- Advertisement -

স্থানীয়দের নানান অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে সচিত্র সংবাদ সংগ্রহ করতে যান স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীরা।

- Advertisement -
google news follower

যার যার অবস্থান থেকে ক্যামেরা ও মোবাইল ফোন বের করেই ছবি তুলতে গেলেই অবৈধ বালু উত্তোলনের মূলহোতা নাজিম উদ্দীন-ধর ধর, মোবাইল কেড়ে নে-ছবি তুলতে দিসনা, সব শালারে বালুর ভেতর পুঁতে ফেল বলে সকলকে নির্দেশ দেয়।

তাৎক্ষনিক নাজিম উদ্দীনের ভাইসহ অন্তত অর্ধশত বালুদস্যু সাংবাদিকদের উপর ঝাপিয়ে পড়ে। তাদের হামলার শিকার হয়েছেন জাতীয় দৈনিকের তিনজন সাংবাদিক। একজনে অবস্থা গুরুতর তার বাহুর হাড় ভেঙে দু’টুকরো হয়ে গেছে।

- Advertisement -
islamibank

আহত সাংবাদিকেরা হল, কালের কণ্ঠের চকরিয়া প্রতিনিধি ছোটন কান্তি নাথ, আমার দেশের প্রতিনিধি ইকবাল ফারুক এবং দৈনিক সংবাদের এম জিয়াবুল হক।

তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আহতদের মধ্যে ছোটনের মাথা-পিঠ, ইকবাল ফারুকের ডান হাতের পাতা ও জিয়াবুলের ডান হাতের বাহুর হাড় ভেঙে গেছে।

গত রবিবার সন্ধ্যায় উপজেলার উত্তর হারবাং ইসলাম ট্রেডিং এলাকায় তিন সাংবাদিকের উপর পরিকল্পিত ভাবে এ হামলা চালানো হয়।

আহত সাংবাদিকেরা বলেন, উত্তর হারবাং এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলনের খবর পেয়ে আমরা তিনজন ঘটনাস্থলে যাই।

পরে ভিডিও এবং ছবি ধারণ করার সময় বালু উত্তোলনের শ্রমিকেরা চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করে। এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন অবৈধ বালু উত্তোলনের মূলহোতা নাজিম উদ্দিন।

এ সময় বালুদস্যু নাজেম উদ্দিন নির্দেশ দেয় ‘সব শালারে ছড়ার বালুতে পুঁতে ফেল।’ তখনই আমাদেরকে চারিদিক থেকে ঘিরে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা শুরু করে তারা।

প্রথমে আমাদের মুঠোফোন কেড়ে নিয়ে ছড়ার পানিতে ফেলে দেওয়া হয়। পরে একেকজনকে ৭-৮ জন ঘিরে ধরে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে।

আহত সাংবাদিক ছোটন কান্তি নাথ বলেন, গুরুতর আহত অবস্থায় তিনজনকে ছড়া থেকে তুলে একটি ঘরে আটকে রাখে।

অন্তত তিনঘণ্টা পর আটটার দিকে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি আমাদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে এবং মাথা ও হাতে সেলাই দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে জানতে হামলার ঘটনায় জড়িত মূলহোতা নাজিম উদ্দিনের ব্যবহৃত মোবাইলফোনে একধিকবার কল দেবার পরেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। একপর্যায়ে তাঁর ফোন বন্ধ করে দেন।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, হারবাং এলাকায় তিন সাংবাদিকদের ওপর হামলার বিষয়টি সোমবার বিকেলে জেনেছি। অ

বশ্যই হামলাকারী-সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে নাজিম উদ্দিনসহ জড়িতদের ধরতে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে।

KSRM
পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জয়নিউজবিডি.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

এই বিভাগের আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ