মার্কিন বিস্ফোরক কারখানায় ভয়ংকর বিস্ফোরণ, নিহত বেড়ে ১৬

অনলাইন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে একটি সামরিক বিস্ফোরক উৎপাদন কেন্দ্রে ভয়াবহ বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ জনে।

- Advertisement -

শুক্রবার (১০ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকালেই এ বিস্ফোরণ ঘটে, যা কয়েক মাইল দূর থেকেও অনুভূত হয়। শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে হামফ্রিস কাউন্টির শেরিফ ক্রিস ডেভিস এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

- Advertisement -
google news follower

প্রথমে ধারণা করা হয়েছিলো, ঘটনাস্থলে অন্তত ১৮ জন নিখোঁজ ছিলেন। কিন্তু তদন্তে পরে জানা যায়, যাদের গাড়ি ও ব্যক্তিগত জিনিসপত্র কারখানার ভেতরে পাওয়া গিয়েছিলো, তাদের মধ্যে দুজন বিস্ফোরণের সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। ফলে মৃত্যুর সংখ্যা নিশ্চিতভাবে দাঁড়ায় ১৬ জনে।

বিস্ফোরণটি ঘটে টেনেসির বাকসনর্ট এলাকায় অবস্থিত অ্যাকুরেট এনার্জেটিক সিস্টেমস কারখানায়, যা ১,৩০০ একর বা প্রায় ৫ বর্গকিলোমিটারজুড়ে বিস্তৃত।

- Advertisement -
islamibank

কারখানার একটি ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়, আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে ধ্বংসস্তূপ ও ধোঁয়া।

শেরিফ ডেভিস আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, আমরা তাদের ‘ভিকটিম’ বলছি, কিন্তু তারা আমাদের পরিবার, আমাদের মানুষ। তিনি আরও জানান, নিহতদের পরিবারের কাছে ইতোমধ্যে খবর পৌঁছে দেয়া হয়েছে।

শনিবার সকালে তিনি নিশ্চিত করেন, উদ্ধার অভিযান এখন আর জীবিত কাউকে খোঁজার নয়—এটি এখন মৃতদেহ শনাক্তকরণ ও পুনরুদ্ধারের পর্যায়ে আছে। নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ পরীক্ষার ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

বিস্ফোরণের কারণ এখনো জানা যায়নি। ঘটনাস্থলে তদন্তে রয়েছে এফবিআই, অ্যালকোহল, টোব্যাকো, ফায়ারআর্মস অ্যান্ড এক্সপ্লোসিভস ব্যুরো (এটিএফ), এবং স্থানীয় দমকল বিভাগ।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কারখানায় বিস্ফোরক ও অস্ত্রসামগ্রী থাকার কারণে উদ্ধার ও তদন্ত কার্যক্রম অত্যন্ত জটিল হয়ে পড়েছে।

বিস্ফোরণের অভিঘাতে পুরো বাকসনর্ট এলাকা এখনো জরুরি অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ আশপাশের বসতিগুলো খালি করে দিয়েছে এবং জনগণকে এলাকা থেকে দূরে থাকতে আহ্বান জানিয়েছে।

এটি যুক্তরাষ্ট্রে সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ শিল্প-দুর্ঘটনাগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

KSRM
পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জয়নিউজবিডি.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।

এই বিভাগের আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ